২২শে শ্রাবণ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হলো তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের উদ্যোগে। হিন্দুস্তান হেলথ পয়েন্টের সহযোগিতায় এ দিন বারুইপুরে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃত্য, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আবৃত্তির মাধ্যমে স্মরণ করা হয় কবিগুরুকে। (Rabindranath Tagore Tribute)
২২শে শ্রাবণ বাঙালির কাছে আবেগের একটি দিন। এই দিনেই ১৯৪১ সালে প্রয়াত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর গান, কবিতা, গল্প ও সাহিত্য আজও বাঙালির জীবন ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে। সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে এ দিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বসন্ত শেঠিয়া, হিন্দুস্তান হেলথ পয়েন্টের COO শম্পা চক্রবর্তী, প্রাক্তন BJP জেলা সভাপতি উত্তম কর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের আধিকারিক কামিনী রায় এবং অন্যরা। উপস্থিত ছিলেন নরেন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জীব চক্রবর্তী। প্রশাসনের আরও আধিকারিকরাও অনুষ্ঠানে ছিলেন। (Rabindranath Tagore Tribute)
নাচ-গান-আবৃত্তিতে কবিকে প্রণাম
তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে নবঅঙ্কুর ডান্স গ্রুপ। রবীন্দ্রসঙ্গীত ও আবৃত্তির মাধ্যমেও কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে ‘আমার সোনার বাংলা’ সহ রবীন্দ্রনাথের একাধিক গান পরিবেশিত হয়। কবিতার অংশ হিসেবে ‘মনে রেখো’ আবৃত্তি করা হয়। (Rabindranath Tagore Tribute)
অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন হিন্দুস্তান হেলথ পয়েন্টের COO শম্পা চক্রবর্তী। তিনি বলেন, এটি কোনও সাধারণ অনুষ্ঠান নয়, কবির প্রতি আবেগ থেকে করা শ্রদ্ধাঞ্জলি। রবীন্দ্রনাথ যা দিয়েছেন, তার সামান্য অংশও ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা তাঁদের নেই। শ্রদ্ধার মাধ্যমেই কবিকে প্রণাম জানানো হয়েছে।
‘রবীন্দ্রনাথ সকলের’
সমাজসেবী বসন্ত শেঠিয়া বলেন, ২২ শ্রাবণে সকলকে সঙ্গে নিয়ে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথের সর্বজনীন ভাবনাও উঠে আসে। উপস্থিত বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথ কোনও বিশেষ সম্প্রদায়ের নন। তিনি সকলের। তাঁর গান ও সাহিত্য বাঙালির পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের সাংস্কৃতিক জীবনের অংশ। (Rabindranath Tagore Tribute)












