(Debasish Dhar) রাখিবন্ধন উৎসবকে ঘিরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর উত্তরের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেল সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা। গড়িয়ার সংঘশ্রী, ঢালাই ব্রিজ এলাকায় বিজেপি কর্মীরা পথচলতি ছাত্রছাত্রী, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে মোটরবাইক আরোহীদের হাতেও রাখি পরিয়ে দেন। মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকে রাখি পরিয়ে উৎসবে সামিল করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সোনারপুর উত্তর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক দেবাশিস ধর।
Debasish Dhar: রাখির মাধ্যমে সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা
দেবাশিস ধর বলেন, রাজ্য জুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে রাখিবন্ধন উৎসব পালিত হচ্ছে। ‘বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাখির মাধ্যমে মানুষকে সৌভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পথ দেখিয়েছিলেন। সেই আদর্শকে সামনে রেখেই শ্রদ্ধার সঙ্গে দিনটি পালন করা হচ্ছে।’ তাঁর বক্তব্য, ‘বিভিন্ন কারণে বাঙালির মধ্যে ভাতৃত্ববোধের যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে সাংস্কৃতিক পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে মানুষকে আত্মিক বন্ধনে আবদ্ধ করতে হবে।’

Debasish Dhar: ‘প্রকৃতির সঙ্গে খেলা আত্মহত্যার সামিল’
নেপালের ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়েও মুখ খোলেন বিধায়ক। তাঁর দাবি, ‘নেপালের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ এবং সেখানে আটকে থাকা ভারতীয়দের জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। ভূমিকম্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নেপাল ‘হাইলি সেনসিটিভ জোনে’ রয়েছে এবং হিমালয়ের পরিবর্তন আটকানো সম্ভব নয়। তবে জোন চিহ্নিত করে সেখানে বসতি স্থাপন রুখতে হবে।’ জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে তা সম্ভব হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, “প্রকৃতির সঙ্গে খেলা করা রীতিমতো আত্মহত্যার সামিল।”
বাংলাকে শীর্ষে ফেরানোর বার্তা
(Debasish Dhar) দেবাশিস ধর আরও বলেন, ‘ভারত বরাবরই নেপালের বন্ধু রাষ্ট্র হিসেবে পাশে থেকেছে এবং আক্রান্তদের পরিবারের পাশেও রয়েছে সরকার।’ এদিন নজরুল মঞ্চে যাওয়ার আমন্ত্রণ এবং বিকেল পাঁচটা নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বন্দেমাতরম গাওয়ার কর্মসূচির কথাও জানান তিনি। বিভিন্ন উৎসবের মাধ্যমে মানুষের মেলবন্ধন ও কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলে বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গকে ফের দেশের শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন বিধায়ক।
অভিষেকের অফিসে ধুন্ধুমার, ৩ FIR-গ্রেফতার ১৩










