নিজের হাতে নির্বাচনের সময় নিজের ছবি দেওয়া পোস্টার খুললেন পর্যটনমন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে এবার কড়া বার্তা মন্ত্রীর। নিজের হাতেই নিজের ছবি লাগানো পোস্টার খুলে দিলেন তিনি। শুধু নিজের পোস্টারই নয়, শহরের বিভিন্ন জায়গায় যত্রতত্র লাগানো পোস্টার নিয়েও এবার কড়া অবস্থান নেওয়ার বার্তা দিলেন পর্যটন মন্ত্রী (Sankar Ghosh)।
রাজ্যের মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের (Sankar Ghosh) বক্তব্য, “নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে। এই সরকারের বয়স তিনমাসের বেশি। বির্বাচনের সময়কার আমারও বেশকিছু ছবি ছিল। আমি আজ উদ্যোগ নিয়েছিলাম এইগুলো খুলে দেওয়ার জন্য। শুধু ছবিই নয়, দেখা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পতাকা, হোডিং, ব্যানার। নির্বাচন শেষ হওয়ার পরেও এইগুলো খুলতে ভুলে যায় সকলে। প্রশাসন, সমাজ ছাড়া কোনও কাজ করতে পারবে না। কারণ প্রশাসনের কাছে বিশাল কোনও ব্যবস্থা নেই। প্রশাসনকে সমাজ সহযোগিতা করলে তবেই সম্ভব।”
Sankar Ghosh: ‘ইচ্ছেমতো পোস্টার লাগানো যাবে না’
মন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান হোক কিংবা অন্য কোনও কর্মসূচি, ইচ্ছেমতো শহরের যেকোনও জায়গায় পোস্টার লাগানো যাবে না। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অনুমতি নিয়ে পোস্টার লাগাতে হবে। সেই অনুমতিও থাকবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট পোস্টার খুলে ফেলতে হবে। তিনি বলেন, “এক্ষেত্রে আমি পুর কমিশনারকে বলেছি একটা নির্দিষ্ট নোটিস দিতে। কোনও কর্মসূচির ৭ থেকে ১৫ দিন আগে তারা হোডিং ব্যানার লাগাতে পারবে। আবার ৭ দিন পরে সেইটা খুলে ফেলতে হবে। এইটাকে একটা নিয়মের মধ্যে ও অভ্যাসের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।”
রাখি পূর্ণিমার দিন শহরকে পোস্টারমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন রাখতে উদ্যোগী হলেন রাজ্যের মন্ত্রী। আজ দলীয় কর্মী এবং পুরসভার কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় নামেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। নিজের ছবি লাগানো পোস্টার নিজেই খুলে সাধারণ মানুষের কাছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহরের বার্তা দিলেন তিনি। রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি শহরের সমস্ত মানুষকে এই উদ্যোগে সহযোগিতা করার আবেদন জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী। তাঁর বার্তা, শহরকে সুন্দর রাখতে হলে শুরুটা করতে হবে নিজে থেকেই।











