রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সুচিত্রা আপত্তি না জানালে ‘সপ্তপদী’র শেষটা হতো ভয়ঙ্কর, জানেন সেই গল্প?

Published on: August 30, 2026
Saptapadi
---Advertisement---

বাঙালির প্রেমের সংজ্ঞায় উত্তম-সুচিত্রার ‘সপ্তপদী’ (Saptapadi) আজও এক আবেগের নাম। কিন্তু জানেন কি, পর্দায় দেখা সেই বহুলচর্চিত রোমান্টিক পরিণতি আদতে ছবির মূল গল্পে ছিল না? সুচিত্রা সেনের এক দৃঢ় সিদ্ধান্তই বদলে দিয়েছিল ‘সপ্তপদী’র শেষ অধ্যায়।

উত্তম-সুচিত্রা: প্রেমের চিরন্তন জুটি

(Saptapadi) ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’ কালজয়ী গানের নস্টালজিয়া থেকে কৃষ্ণেন্দু-রিনা ব্রাউনের রসায়ন— উত্তম কুমার ও সুচিত্রা সেনের জুটি বাঙালির রোমান্টিকতার অন্যতম প্রতীক। তাঁদের পর্দার প্রেম আজও দর্শকের কাছে সমান জনপ্রিয়।

উপন্যাসে ছিল অন্য পরিণতি

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৬১ সালে তৈরি হয় ‘সপ্তপদী’। (Saptapadi) পরিচালক অজয় কর চেয়েছিলেন মূল গল্পের সমাপ্তিই রাখতে। সেখানে কৃষ্ণেন্দু শেষ পর্যন্ত কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হন। কিন্তু শুটিংয়ের সময় চিত্রনাট্য বুঝে সুচিত্রা সেন এই পরিণতিতে তীব্র আপত্তি জানান।

Saptapadi: সুচিত্রার যুক্তিতেই বদল গল্প

সুচিত্রার বক্তব্য ছিল, উত্তম-সুচিত্রার এমন কালজয়ী অনস্ক্রিন প্রেমের শেষে নায়কের শরীর মারণ রোগে ক্ষয়ে যাওয়া দর্শক কিছুতেই মেনে নেবেন না। তাঁর মতে, যে মানুষ ভালোবাসার জন্য ধর্ম ও পরিবার ত্যাগ করল, তার এমন পরিণতি দেখালে ভালোবাসাকেই যেন পাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

পরিচালকের প্রস্তাবে সাহিত্যিক তারাশঙ্কর প্রথমে ক্ষুব্ধ হলেও পরে সুচিত্রা সেন উত্তম কুমারের ভাই তরুণ কুমারকে তাঁর কাছে পাঠান। সুচিত্রার যুক্তি শুনে শেষ পর্যন্ত সাহিত্যিকও মত বদলান এবং গল্পের সমাপ্তি নতুন করে লেখার অনুমতি দেন। আর সেখানেই তৈরি হয় বাঙালির কালজয়ী সিনেমা ‘সপ্তপদী’ (Saptapadi)।

মাত্র ১৮-তেই সুরের জগতে অভিষেক হৃতিক-পুত্র হৃহানের


Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp

Join Now

Join Telegram

Join Now

Leave a Comment