বেআইনিভাবে কোটি কোটি টাকার ঋণ নেওয়ার অভিযোগ উঠল এসেল গ্রুপের (Essel Group) কর্ণধার সুভাষ চন্দ্রের বিরুদ্ধে। এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (CBI)। পাবলিক সেক্টর লেন্ডার এলআইসি হাউজিং ফিন্যান্স লিমিটেড (LICHFL)-এর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সিবিআই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। ভুয়ো তথ্যের ভিত্তিতে ঋণ নেওয়ার পর তা খেলাপি হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থার ১,৩২২ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ (subhash chandra)।
subhash chandra: লোন জালিয়াতি ও ভুয়ো শংসাপত্র
২০১৮ সালে দুটি পৃথক ঋণ নিয়েছিলেন। যার মোট পরিমাণ ছিল ৯৮০ কোটি টাকা। এই লোন নেওয়ার অনুমোদন পেতে সুভাষ চন্দ্র নিজের সম্পত্তির পরিমাণের ভুয়ো সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। ওই দু’টি ঋণের কোনওটিই মেটাতে পারেনি সংস্থাগুলি। প্রথম ঋণের ক্ষেত্রে (বসন্ত সাগর প্রপার্টিজ লিমিটেড)-এর জন্য তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ দেখানো হয়েছিল প্রায় ৫৯,১১৩ কোটি টাকা।
দ্বিতীয় ঋণের ক্ষেত্রে (ডিজিটাল সাবস্ক্রাইবার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস)-এর জন্য অপর একটি সার্টিফিকেটে তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ দেখানো হয় ৪০,৫৬২ কোটি টাকা। তাঁর ওই বিপুল সম্পদের উপর ভিত্তি করেই ঋণগুলি মঞ্জুর করেছিল এলআইসি হাউসিং ফাইনান্স লিমিটেড। এলআইসির অভিযোগ, সুভাষ চন্দ্রর সঙ্গে আরও চারটি সংস্থা পুরো জালিয়াতিতে যুক্ত।
তাঁর বিভিন্ন সংস্থার নামের পাশে সব মিলিয়ে ঋণ রয়েছে ২২ হাজার ৬ কোটি টাকা। সেই দিতে পারবেন না তিনি। লোনের গ্যারান্টার ছিলেন সুভাষ চন্দ্র নিজে। তিনি কোর্টকে জানান, তাঁর এই ঋণ দেওয়ার মতো সামর্থ নেই। বিচারক নীলেশ শর্মা ওই রিপেমেন্ট প্ল্যানে সায় দেন। কিছুটা ঋণ মিটিয়ে সুইজারল্যান্ডে গিয়ে বন্ধুর সংস্থায় চাকরি করারও পরিকল্পনা করেন। তবে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। সুভাষের রিপেমেন্ট প্ল্যানে স্থগিতাদেশ দিয়েছে এনসিএলটি। এরপর এলআইসি সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ দায়ের করে। সিবিআই-এর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা দায়ের করল।












