দুর্গাপুজো মানে বাঙালির প্রাণের পুজো। যুগ যুগ ধরে নিয়ম রীতি-নীতি মেনে হয়ে আসছে এই পুজো। এবার এই পুজো নিয়ে নতুন পাঠ পড়াচ্ছেন মধ্যপ্রদেশের ‘বাগেশ্বর বাবা’। দুর্গাপুজোয় আমিষ খাবার নাকি পাষণ্ডরা খায়। এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করে শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। বাগশ্বর কাণ্ডে বিজেপিকে কটাক্ষ কুণাল ঘোষের। পাশাপাশি প্রশাসনের পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
Kunal ghosh: বিজেপিকে কটাক্ষ কুণালের
তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “যে ধারাবাহিকভাবে বাঙালিকে তীব্র ভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। মানুষের সামনে সব আছে। মানুষ এর বিচার করবেন। আমরা গুপ্তা, জয়সওয়ালদের অবশ্যই শ্রদ্ধা করি। তা বলে বাঙালিদের অপমান করছেন কেন? মানুষ দেখুন এবার। বাংলায় এর আগে কোনওদিন এটা হয়নি। ধর্মগুরু পাখণ্ডী বলে গেলেন। এর মানে কী? দুর্গাপুজো এদের থেকে শিখতে হবে? বাংলায় এসে, বাংলায় বসে, বাঙালিকে যদি এমন কথা বলা হয়, তাহলে পুলিশ কেন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ব্যবস্থা নেবে না? ভিতে কুঠারাঘাত করা হচ্ছে। শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর মন্ত্রিসভা প্রতিবাদ করল না কেন?”
তিনি আরও বলেন, “অন্য রাজ্য থেকে আসা এক ব্যক্তি যেভাবে বাংলাকে কটুক্তি করলেন, তাতে যারা ওনাকে নিয়ে আসলেন তাদের নিন্দা করে ক্ষমা চাওয়া উচিত। এরা বাংলা বিরোধী, বাঙালি বিরোধী। মন্ত্রিসভার ক্ষমা চাওয়া উচিত। এক্ষেত্রে পুলিশের স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”
এই নিয়ে মুখ খুললেন ডোমকলের সিপিআইএম বিধায়ক মুস্তাফিজুর রহমান রানা। তিনি বলেন, “বাগেশ্বর বাবার বিষয় আলাদা। এই সব ব্যাপার যত কম হয় রাাজ্যে ততই ভালো। এই সব করার জন্যে মানুষ ভোট দেয়নি বিজেপিকে। তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যে ভোট দিয়েছিল। মানুষের যা যা সমস্যা সেটা আগে দেখুক। আরএসএস তত্ত্বের মাধ্যমে মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে। আরএসএস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ এই সব করে বেড়াচ্ছে।”











1 thought on ““এদের থেকে দুর্গাপুজো শিখতে হবে?” বাগেশ্বকাণ্ডে বিজেপিকে কটাক্ষ কুণালের”