রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বাংলায় দুর্গাপুজোর সূচনা মোদির হাত ধরে? ইডেন চেয়ে চিঠি তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের

Published on: September 9, 2026
---Advertisement---

রাজ্যে রাজনৈতিক পালা বদলের বাংলায় প্রথম দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, মহালয়ার দিন থেকে ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দুর্গাপুজোর সূচনা হবে। আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা না হলেও মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে হাজির থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে ২১ দিনের জন্য ইডেন গার্ডেন্স চেয়ে ই-মেল করা হয়েছে (Narendra Modi)।

মাঠের জন্য সরাসরি ই-মেলটি পাঠানো হয়েছে রাজ্যের যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরের সচিবকে। প্রেরক রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব সৌমিত্র মোহন। সেই চিঠিতে যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দফতরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সিএবি-র সঙ্গে কথা বলে ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত মাঠ নেওয়ার জন্য (Narendra Modi)।

Narendra Modi: কেন এত দিনের জন্য মাঠ নেওয়া হচ্ছে?

সূত্র মারফত খবর, এই অনুষ্ঠানে থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর হাত ধরেই পালা বদলের বাংলায় দুর্গাপুজোর সূচনা হতে পারে। ফলে সেই অনুষ্ঠানটি বেশ হাই প্রোফাইল হবে বলাই বাহুল্য। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্যের সমস্ত প্রশাসনিক পদাধীকারীরা থাকবেন। আর প্রধানমন্ত্রী থাকা মানে নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি কড়াকড়ি থাকবে। ইডেন গার্ডেন্সকে আগাম নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হবে। সেই সঙ্গে অনুষ্ঠানের জন্য মঞ্চ নির্মাণ, গোটা স্টেডিয়ামকে সাজিয়ে তোলা থেকে শুরু করে সব মিলিয়ে বিশাল কর্মযজ্ঞ চলবে। সেই কারণে ২১ দিনের জন্য মাঠ চাওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত বিশ্ব যোগা দিবস উপলক্ষেও সাতদিন ধরে রেড রোড আংশিক বন্ধ করে মঞ্চ নির্মাণ সহ আয়োজনের খুঁটিনাটি করা হয়েছিল। এবার ইডেন নেওয়া হচ্ছে।

১১ অক্টোবর, রবিবার। ইডেনেই রঞ্জি ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলা ও দিল্লি মুখোমুখি। সূচি প্রকাশ করে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। ১০ অক্টোবর ইডেনে অনুষ্ঠান হলে ১১ তারিখ ম্যাচ আয়োজন কার্যত অসম্ভব। তাই কল্যাণীতে হতে চলেছে বাংলা বনাম দিল্লি ম্যাচ।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment