রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বিধানসভার ভিতরে হঠাৎ অসুস্থ আধিকারিক, CPR দিলেন মন্ত্রী, তারপর…

Published on: September 9, 2026
Telangana
---Advertisement---

অধিবেশন চলাকালীন অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেল তেলেঙ্গানা বিধানসভার ভিতর। অধিবেশন চলাকালীন প্রবীণ আইএএস (IAS) অফিসার নবীন মিত্তলের ব্যক্তিগত সচিব, কৃষ্ণ মোহন রাজু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তখনই সেই সরকারি আধিকারিকের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এলেন, তেলেঙ্গানার পশুপালন ও ক্রীড়া মন্ত্রী ভাকিতি শ্রীহরি। তাঁকে প্রাথমিকভাবে সুস্থ করার জন্য সিপিআর (CPR) দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। বিধানসভায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসকও ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এরপর রাজুকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয় ওই সরকারি আধিকারিকের। CPR দেওয়ার ভিডিয়োই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে (Telangana)।

Telangana: কীভাবে CPR দিলেন মন্ত্রী?

কৃষ্ণ মোহন রাজু, এনার্জি ডিপার্টমেন্টের সেকশন অফিসার এবং আইএএস অফিসার নবীন মিত্তলের ব্যক্তিগত সচিব। বিধানসভায় অধিবেশন চলাকালীন তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসক আসার আগেই মন্ত্রী ভাকিতি শ্রীহরি ওই আধিকারিকেক বুকে চাপ দিয়ে CPR দিয়ে প্রথমিকভাবে সুস্থ করার চেষ্টা করেন।

পরবর্তীতে চিকিৎসকদের সহায়তায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক অনুমান, তিনি সেই সময় ম্যাসিভ কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হয়েছিলেন। ‘ইন্ডিয়া টুডে’-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই সরকারি আধিকারিকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে তেলেঙ্গানা সেক্রেটারিয়েট অ্যাসোসিয়েশন।

সিপিআর (CPR)-এর গুরুত্ব

সিপিআর হলো একটি জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি। কোনও ব্যক্তির হৃদস্পন্দন বা শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে তখন CPR দেওয়া হয়। এই CPR-এর মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসে। এতে মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে রক্ত ​​ও অক্সিজেনের প্রবাহ বজায় রাখতে সাহায্য করে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment