রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

সরকারি অনুমতি ছাড়াই চলছে বারুইপুরের এই মাদ্রাসা, কী জানাল কর্তৃপক্ষ?

Published on: September 13, 2026
---Advertisement---

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সরকারি অনুমতি ছাড়াই ৩২টি মাদ্রাসা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি রাজ্য সরকারের প্রকাশিত তালিকায় এই তথ্য সামনে এসেছে এবং সেই তালিকায় রয়েছে বারুইপুরের সীতাকুণ্ড এলাকার একটি মাদ্রাসার নামও। যদিও অভিযোগ নিয়ে ভিন্ন দাবি করেছেন ওই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান সম্পাদক মহম্মদ হোসেন আলি মোল্লা। (Madrasa Permission)

২০০৮ সালে পথচলা

হোসেন আলি মোল্লা জানান, ২০০৮ সালে তাঁর বাবা নাচিম আলি মোল্লা বালিকাদের জন্য মাদ্রাসাটি শুরু করেন। ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাঁর বাবাই প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মাদ্রাসাটির বৈধ অনুমতি ছিল। নিজের অর্থেই শিক্ষকদের বেতন এবং পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলের ব্যবস্থা করতেন তাঁর বাবা। তবে ২০১৯ সালে লকডাউনের সময় তাঁর বাবার মৃত্যু হয়। এরপর আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি সরকারি সহযোগিতা না থাকায় মাদ্রাসাটি বন্ধ হয়ে যায় বলে দাবি হোসেনের। (Madrasa Permission)

নতুন নামে চলছে মাদ্রাসা

বর্তমানে ‘বাইতুল উলুম মহম্মদিয়া’ নামে একটি খারিজি মাদ্রাসা চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাঁর দাবি, সেখানে প্রায় ৪০-৪৫ জন পড়ুয়া রয়েছে। এলাকার দরিদ্র পরিবারের ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সুযোগ করে দিতেই নিজেদের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানটি চালানো হচ্ছে।

অনুমতি নিয়ে কী দাবি?

অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে হোসেন জানান, স্থানীয় পঞ্চায়েত এবং এলাকার বিধায়ক বিভাস সরদারের লিখিত অনুমতি রয়েছে। বিধায়কের চিঠিতে মেমো নম্বর না থাকার বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘তখন বিষয়টি হয়তো নজরে আসেনি। তবে পঞ্চায়েতের অনুমতির মেমো নম্বর রয়েছে। প্রয়োজন হলে বিধায়কের কাছ থেকেও চিঠি সংগ্রহ করা যাবে।’ (Madrasa Permission)

অন্য স্কুলে পরীক্ষা

হোসেনের দাবি, মাদ্রাসাটি আলাদা করে DISE ফর্ম পূরণ করে না। পড়ুয়ারা অন্য সাধারণ স্কুলের সঙ্গে টাই-আপ করে সেখানে গিয়ে পরীক্ষা দেয়। বর্তমানে সাধারণ মানুষের অনুদানেই মাদ্রাসাটি পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান সম্পাদক।

শেষ পর্যন্ত সরকারি তালিকায় নাম ওঠা এবং মাদ্রাসার অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রয়েছে। অন্যদিকে, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার দরিদ্র পরিবারের পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখেই প্রতিষ্ঠানটি চালানো হচ্ছে। ফলে সরকারি নথিপত্র ও অনুমতির বিষয়টি প্রশাসনের তরফে কীভাবে খতিয়ে দেখা হয়, এখন সেটাই দেখার। (Madrasa Permission)

আরও পড়ুন :- জলবন্দি ভূতনি, ত্রাণ নিয়ে একাধিক অভিযোগ, আসরে বিধায়ক থেকে ব্যবসায়ীক সংগঠন


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now

Leave a Comment