প্রতীক নিয়ে জটিলতার মাঝেই প্রার্থী ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর কেন্দ্রে উপনির্বাচন রয়েছে। সমাজ মাধ্যমে তৃণমূলের অফিশিয়াল পেজে একটি পোস্ট করা হয় (nandigram bypoll)। সেই পোস্টে লেখা, ‘আমাদের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশনা ও অনুপ্রেরণায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের আসন্ন উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পেরে আনন্দিত।’
nandigram bypoll: কারা প্রার্থী হলেন?
নন্দীগ্রামে তৃণমূলের প্রার্থী হলেন সঞ্চিতা প্রধান। রেজিনগর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হলেন রবিউল আলম চৌধুরী। ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর-দুটি কেন্দ্র থেকে জেতেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফলে যে কোনও একটি আসন ছাড়তে হয় তাঁকে। নিজের গড় নন্দীগ্রামের আসনটি ছেড়ে দেন শুভেন্দু। ফলে এই কেন্দ্রে উপনির্বাচন দরকার। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর ও নওদা- কেন্দ্রে জেতেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত তথা আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। ক্ষেত্র হুমায়ূন রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন। এই আসনেই উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর (nandigram bypoll)।
উপনির্বাচনে দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা চলছিলই। আরেকদল হল ঋতব্রতপন্থী। তাঁদের দাবি দুই তৃতীয়াংশ বিধায়ক সঙ্গে থাকায় তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’। কিন্তু এই দড়িটানাটানির মাঝেই প্রার্থী ঘোষণা করল কালীঘাট তৃণমূল। গতকালই ঋতব্রত বলেছিলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে যদি লড়েন তাহলে নন্দীগ্রামে আমরা প্রার্থী দেব না।’
শনিবার দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট (আইআইআইডিইএম)-এ যান ঋতব্রত শিবিরের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। ‘জোড়াফুল’ প্রতীক কার দখলে থাকবে, তাই নিয়ে ফয়সলা করার আগেই প্রার্থী ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।











