এবার Spam কল ও মেসেজ রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল টেলিকম রেগুলেটরি অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া বা TRAI। নতুন পদক্ষেপের লক্ষ্য, মোবাইল গ্রাহকদের অবাঞ্ছিত ফোন কল ও প্রতারণা থেকে মুক্তি দেওয়া ও সুরক্ষিত রাখা। পাশাপাশি, টেলিকম রিসোর্সের অপব্যবহার বন্ধ করা (trai on spam calls)।
trai on spam calls: Spam কল থেকে দূরে রাখতে ৫টি নয়া পদক্ষেপ TRAI-এর
১. আগে কোনও স্প্যামারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে টেলিকম অপারেটরদের কাছে ১০ দিনের মধ্যে কমপক্ষে ৫টি ভিন্ন ভিন্ন অভিযোগ জমা পড়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া যেত। এখন কোনও নম্বরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে ১০ দিনের মধ্যে মাত্র ৩টি ভিন্ন অভিযোগ এলেই চলবে। এই সহজ নিয়মের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ শর্ত রয়েছে। টেলিকম অপারেটরকে (AI) সিস্টেম দ্বারা ওই নম্বরটিকে আগে থেকেই ‘Suspected Spam call’ হিসেবে চিহ্নিত হতে হবে (trai on spam calls)।
২. চিহ্নিত স্প্যাম কলারদের তথ্য এবং কলার লাইন আইডেন্টিফিকেশন (CLI) ডেটা টেলিকম সংস্থাগুলি নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেবে। এর ফলে কোনও স্প্যামার এক নেটওয়ার্ক থেকে অন্য নেটওয়ার্কে গিয়ে পার পাবে না। বারবার নিয়ম ভাঙলে সিম বা টেলিকম রিসোর্স ১ বছরের জন্য ডিসকানেক্ট ও ব্ল্যাকলিস্ট করে দেওয়া হবে।
৩. আপনি যদি স্প্যাম সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ জানান এবং আপনার পরিষেবা প্রদানকারীর নেওয়া পদক্ষেপ বা সমাধানে সন্তুষ্ট না হন, তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবেন। অথবা ফোন করার মাধ্যমে এই আপিলের বর্তমান অবস্থা কী, তা জানতে ট্রাই-এর ডিএনডি (DND) অ্যাপ, অপারেটর পোর্টাল থেকে সহজেই ট্র্যাক করা সম্ভব হবে।
৪. কোনও সংস্থা যদি কম্পিউটার, রোবো-ডায়ালার বা সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় বা প্রি-রেকর্ডেড ভয়েস কল (Application-to-Person বা A2P) করতে চায়, তবে তা টেলিকম অপারেটরদের কাছে আগে থেকে জানাতে হবে। কোনও রকম ঘোষণা ছাড়া এই ধরণের স্বয়ংক্রিয় কল করা হলে সেটিকে সরাসরি ‘স্প্যাম’ হিসেবে ধরা হবে।
৫. গ্রাহক যদি কোনও বাণিজ্যিক সংস্থার কাছে কোনও বিষয়ে অনুসন্ধান (Inquiry) করেন, তবে সেই সূত্র ধরে ওই সংস্থাটি গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৭ দিন পর্যন্তই প্রচারমূলক কল করতে পারবে, তার বেশি নয়।












