২০ বছরের ছাত্র সাহিল ওয়াকোরের মৃত্যুতে উত্তাল IIT বম্বে। IIT বম্বের পরিচালন কমিটির প্রধানের পদত্যাগ চেয়ে সোমবার পোওয়াই ক্যাম্পাসের বাইরে বেশ কয়েকজন পড়ুয়া বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের আটক করেছে পুলিশ। ক্যাম্পাসের চারপাশে পুলিশি নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতে, ছাত্র বিক্ষোভ ও পরিবারের আনা মারাত্মক অভিযোগের মুখে ইনস্টিটিউটের ‘ডিন অব স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার’ (Dean Students Welfare) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অধ্যাপক সূর্যনারায়ণ দুল্লাকে (Prof. Suryanarayana Doolla)।
iit bombay student death: আটক বিক্ষোভকারীরা, ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচি করছিল। বিক্ষোভের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি না থাকায় তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুলিশের এই পদক্ষেপই পোওয়াই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দেয়। এখানেই ওই ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিবাদে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন অবস্থান-বিক্ষোভে বসে। বিক্ষোভ চলতে থাকায় আইআইটি বোম্বের চারপাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে (iit bombay student death)।
১৮ সেপ্টেম্বর IIT বম্বে ‘এনার্জি সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং’ বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের বি-টেক পড়ুয়া সাহিল ওয়াকোডের মৃত্যুর পর এই প্রতিবাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। এই ঘটনার তদন্ত করছে মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এই পরিস্থিতিতে, কর্তৃপক্ষের আচরণ এবং ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। ক্যাম্পাসে উত্তেজনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে জাতি বৈষম্যের অভিযোগে সরব হয়েছেন, পুত্রহারা বাবা-মা।
কর্তৃপক্ষের ভোলবদল
IIT বম্বের তরফে প্রথমে জানানো হয়েছিল, পরীক্ষার সময় ওই পড়ুয়াকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা গিয়েছিল এবং প্রশ্নপত্রের উত্তর খোঁজার জন্য নাকি সে ChatGPT- সাহায্য নিয়েছিল। তবে প্রতিষ্ঠানটি তাদের আগের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। তারা বলেছে, তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার আগেই এই ধরনের মন্তব্য করা অনুচিত। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, “সাহিলের মৃত্যুর পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের আগের বিবৃতিতে যেসব কথা বলা হয়েছিল, তার জন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি।” তারা আরও জানায় যে, তার মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তাধীন রয়েছে।










