ভয়ঙ্কর ঘটনার সাক্ষী থাকল উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ের শম্ভুপুর। স্ত্রীকে গুলি করে খুন করার পর দুই পুরোহিতকেও খুন এক ব্যক্তির। বাবার হাত থেকে রেহাই পেল না সন্তানরাও। তিন সন্তানকে পণবন্দি করে রাতভর নাটকের শেষে ১ জনকে গুলি করে খুন করল সে। শেষমেষ পুলিশের এনকাউন্টারে প্রাণ গেল ধৃতের। অভিযুক্তের নাম অরবিন্দ সিং। তাঁর স্ত্রী ববিতা সিং (up azamgarh wife two priests shot)।
up azamgarh wife two priests shot: কেন এমন ঘটনা ঘটাল অরবিন্দ?
পুলিশ সূত্রে খবর, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অরবিন্দ বাড়ি ফিরতেই দেখেন তাঁর স্ত্রী ববিতা এবং দুই পুরোহিত কিছু ধর্মীয় আচারানুষ্ঠান করছেন। তা দেখেই ভীষণ রেগে যান অরবিন্দ। সেই সময় স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বচসা চরমে ওঠে। অরবিন্দর অগ্নিমূর্তি দেখে তাঁর মা ও ভাইপো-ভাইঝিরাও ঘর থেকে পালিয়ে যান। আর তখনই তাঁর লাইসেন্স প্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্রটি বার করেন অরবিন্দ। রাগের বশে প্রথমে স্ত্রীকে গুলি করে খুন করেন অরবিন্দ। তারপর দুই পুরোহিতকে হত্যা করে সে। গুলির আওয়াজ পেয়ে প্রতিবেশীরা জড়ো হন। এরপরই নিজের ৩ সন্তানদের পণবন্দি করে রাখেন অরবিন্দ।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় আজমগড় থানার পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশ সুপার অনিল কুমার জানিয়েছেন, তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অরবিন্দকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন। কিন্তু তাতেও তিনি শোনেননি। তিন সন্তানকে ঘরের ভিতর আটকে রেখে ছিলেন তিনি। ঘরের ভিতর থেকে পুলিশকে তাঁর ৩ সন্তানকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যাচ্ছিলেন। আর তখনই তাঁর ৮ বছরের ছেলেকে গুলি করেন অরবিন্দ।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, গুলির শব্দ পেয়ে দরজা ভাঙেন তাঁরা। তাঁদের লক্ষ্য করেও গুলি ছোড়েন অরবিন্দ। পুলিশও শূন্যে পাল্টা গুলি চালায়। এরপর নিজেকেও গুলি করে অরবিন্দ। অরবিন্দ ও শৌর্যকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসা চলাকালীন তাঁরা মারা যান।












1 thought on “উত্তরপ্রদেশে রোমহর্ষক ঘটনা, স্ত্রী, সন্তান, দুই পুরোহিতকে খুন! পুলিশের এনকাউন্টারে খতম যুবক”
Comments are closed.