একদিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসছে ট্রেন, অন্যদিকে রেললাইন পারাপার করছে হাতির বিশাল পাল। সামান্য ভুল হলেই ঘটে যেতে পারত বড়সড় দুর্ঘটনা। তবে শেষ মুহূর্তে বনকর্মীদের তৎপরতায় প্রাণে বাঁচল ৭০টিরও বেশি হাতি। সময়মতো ট্রেন থামানোর ব্যবস্থা করায় এড়ানো গেল বড় বিপদ। (Elephants Life Saved)
ঘটনাটি বাগডোগরা-নকশালবাড়ি রেলপথের। সূত্রের খবর, ওই সময় রেললাইন পারাপার করছিল হাতির একটি বিশাল দল। ঠিক তখনই ওই লাইনে এসে পড়ে সিকিম মহানন্দা এক্সপ্রেস। ফলে হাতিগুলির প্রাণ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরে আর এক মুহূর্তও দেরি করেননি বনকর্মীরা। কার্শিয়ং বন বিভাগের কর্মী আকাশ কেরকেট্টার তৎপরতায় ট্রেনটিকে থামানোর জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। লাল কাপড় দেখিয়ে ট্রেন থামানোর সংকেত দেন বনকর্মীরা। তাঁদের সময়োচিত পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত থেমে যায় ট্রেন। এর ফলে নিরাপদে রেললাইন পার হওয়ার সুযোগ পায় হাতির দলটি।
১২ বছর অপেক্ষা নয়, ৪৫ দিনেই মৃত ঘোষণা, বিপর্যয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেপাল সরকারের
বনকর্মীদের দ্রুত সিদ্ধান্ত এবং সতর্কতার জেরেই এতগুলি হাতির প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানোয় স্বস্তি ফিরেছে বন দফতরের কর্মীদের মধ্যেও। (Elephants Life Saved)
রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেনের ধাক্কায় বন্যপ্রাণীদের মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। বিশেষ করে হাতির চলাচলের পথে রেললাইন থাকায় অনেক সময়ই বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়। তাই রেলপথে হাতির চলাচলের উপর নজরদারি এবং বন দফতর ও রেল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি। বাগডোগরা-নকশালবাড়ি রেলপথের এই ঘটনা আরও একবার মনে করিয়ে দিল, সামান্য সময়ের মধ্যে নেওয়া একটি সঠিক সিদ্ধান্তও বাঁচিয়ে দিতে পারে বহু প্রাণ।











