জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে CJP-র বিক্ষোভে উত্তপ্ত রাজধানী। শনিবার এই বিক্ষোভকে ঘিরে দিল্লি চত্বরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা হয়েছিল। তাতে সমস্যায় পড়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষ। এই নিয়েই সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা হয়। রবিবার ছিল সেই মামলার শুনানি। এই মামলায় দিল্লি পুলিশকে মেট্রো থেকে শুরু করে রেল পরিষেবা, ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (protest jantar mantar cjp)।
সুপ্রিম কোর্টের তরফে আরও বলা হয়, সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ‘আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি’ ছাড়া আটক করা যাবে না। যে জায়গায় ১৬৩ ধারা কার্যকর নয়, সেই এলাকায় কাউকে আটক করা যাবে না।
protest jantar mantar cjp : দিল্লিতে বিধিনিষেধ সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের পাঁচটি প্রধান নির্দেশ—
(১) শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সংবিধানের ১৯(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনও বিধিনিষেধ আরোপের প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত মেট্রো ও রেল পরিষেবা স্বাভাবিকভাবে চালু থাকবে।
(২) ট্রাফিক বা যান চলাচল সংক্রান্ত নিয়মকানুন মেনে শহরে মানুষের অবাধ চলাচলের অনুমতি থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও যান চলাচলের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে ব্যারিকেড বসানোর বিষয়টি অবিলম্বে পর্যালোচনা করতে হবে।
(৩) ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত করা যাবে না।
(৪) আইন মেনে শহরে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচলের অনুমতি থাকবে।
(৫) আইন দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। বিশেষ করে যেসব এলাকায় বিএনএসএস (BNSS)-এর ১৬৩ ধারা কার্যকর নয়, সেখানে শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র মানুষের সমাবেশের ক্ষেত্রে এটি বিশেষভাবে প্রযোজ্য।
শনিবার দিল্লি জুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হয় এবং মেট্রো ও রেল চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। অন্যদিকে, বিভিন্ন জায়গায় ব্যারিকেডও বসানো হয়। ধরপাকড় করা হয় প্রতিবাদীদের। এই নিয়ে মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলে কাউকে আটক করা যাবে না। তবে, প্রতিবাদীদেরও পুলিশের নিয়ম মেনেই প্রতিবাদ করতে হবে। রবিবার বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি. মোহনার বিশেষ বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করেন (protest jantar mantar cjp)।
শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পক্ষে উচ্চ আদালতে সওয়াল করেন মামলাকারীর আইনজীবী কপিল সিব্বল (protest jantar mantar cjp)। তিনি আদালতে বলেন, ‘‘সংবিধানে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের নির্ধারিত প্রতিবাদস্থলে পৌঁছতেই দেওয়া হয়নি। বাধা দেওয়া হয়েছে। টেনেহিঁচড়ে তোলা হয়েছে প্রিজ়ন ভ্যানে। অনেককে অবৈধ ভাবে আটক করে পুলিশ।’’











2 thoughts on “‘মেট্রো, ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে হবে’, দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের”
Comments are closed.