মুখ্য নির্বাচন কমিশন জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল রাজধানী। শনিবার CJP-র ডাকা বিক্ষোভ শুরু হওয়ার আগেই প্রবল ধরপাকড় শুরু করে দিল্লি পুলিশ। আটক থাকার ২৪ ঘণ্টা পর রবিবার সকালে মুক্তি পান সিজেপি-র নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাস। সাংবাদিক সম্মেলন করে আন্দোলনের দিন দিল্লি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা (cjp)। তাঁরা বলেন, “লড়াই সবে মাত্র শুরু হয়েছে।” সিজেপি (CJP)-র আরও এক নেতা আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, “জ্ঞানেশ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত এই প্রতিবাদ থামবে না।”
cjp:”সারা দেশে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়বে”
সিজেপি (cjp) নেতা সৌরভ দাস বলেন, “শুধু দিল্লিতে নয়, সারা দেশেই এই প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়বে।” তিনি ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ প্রক্রিয়া বা ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ (SIR)-এর অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকেও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিজিৎ বলেন, “দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের উপর ব্যাপক দমন-পীড়ন হয়েছে। গত ৭২ ঘণ্টায় যা যা হয়েছে তা জরুরি অবস্থাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন চলবে।”
পরে অভিজিৎ নিজের ‘এক্স’ (X)-হ্যান্ডলে লেখেন, “আমরা কোনও মুচলেকা বা বন্ডে সই করিনি যে আমরা আর বিক্ষোভ করব না। আমরা আবারও রাস্তায় নামব।” পাশাপাশি আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেন, ওই তিনজনকে বিমান থেকে “অপহরণ” করা হয়েছিল।
মুক্তির শর্তের বিষয়ে উল্লেখ করে সিজেপি (CJP) নেতা ‘এক্স’ (X)-এ আরও লেখেন, “সিজেপি-র কোনও নেতাই এমন কোনও মুচলেকায় সই করেননি যেখানে বলা হয়েছে যে তাঁরা আর কোনও প্রতিবাদ করবেন না। ওই মুচলেকায় মূলত শান্তিভঙ্গ না করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া একটি সাংবিধানিক অধিকার এবং তা শান্তিভঙ্গ করে না।”










