রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

আত্মহত্যা রুখবে সিলিং ফ্যান, মোদি রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়া উদ্যোগ

Published on: October 24, 2026
anti suicide fan
---Advertisement---

আত্মহত্যা রোধে নয়া পন্থা খুঁজে বার করল গুজরাটের এক বিশ্ববিদ্যালয়। সুরাটের ভীর নর্মদ দক্ষিণ গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে এক অভিনব সিলিং ফ্যান বসানো হয়েছে। এইগুলিকে বলা হয় স্প্রিং-লোডেড ফ্যান বা ‘অ্যান্টি-সুইসাইড ফ্যান’। পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঝুঁকি কমাতেই এই এই উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (anti suicide fan)।

হোস্টেলগুলিতে স্প্রিং-লোডেড প্রায় ৩৫০টি ফ্যান বসানো হয়েছে। প্রতিটি ফ্যানের দাম প্রায় দেড় হাজার টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. কিশোরসিংহ চাভদা নিজে হোস্টেলের একটি ঘরে গিয়ে এই ফ্যানের কার্যপ্রণালী প্রদর্শন করেছেন (anti suicide fan)। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এটি একটি সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে চালু হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকের প্রশ্ন, মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা মোকাবিলার জন্য ফ্যান পরিবর্তন করা আদৌ সঠিক পদ্ধতি?

‘অ্যান্টি-সুইসাইড ফ্যান’ কীভাবে কাজ করে?

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে এই ফ্যানটির ব্যাখ্যা করে বলা হয়েছে, ফ্যানের সঙ্গে একটি স্প্রিং যুক্ত রয়েছে। যদি কোনও কারণে ফ্যানের ওপর ১০ কেজির বেশি ওজন পড়ে, তাহলে স্প্রিংটি তৎক্ষণাৎ খুলে যাবে, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এবং ফ্যানটি নিচে নেমে আসবে। ফলে সাধারণ সিলিং ফ্যানের মতো সেটি ওজন ধরে রাখতে পারে না।

পড়ুয়াদের পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিক চাপ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগের কারণে তরুণদের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বাড়ছে। সেই জন্যই এই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োটি পেস্টের পর নেটিজেনদের বক্তব্য, “প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। আত্মহত্যার চেষ্টার কারণগুলির পরিবর্তন করা প্রয়োজন। সিলিং ফ্যানের দিকে নজর না দিয়ে তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকে মনোযোগ দিন। তারা চাইলে মৃত্যুর অন্য কোনও উপায় ঠিকই খুঁজে নেবে। মূল কারণটির ওপর আলোকপাত করুন এবং তার সমাধান করুন।”

অন্য একজন ব্যবহারকারী, ডাঃ রাজেশ্বরী আইয়ার বলেন, যেখানে আমেরিকা পড়ুয়াদের মানসিক চাপ কমানোর কথা বলে, সেখানে ভারত ‘আত্মহত্যা-প্রতিরোধী’ ফ্যান বসাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, “ভারতীয় রাজনীতিবিদদের আর শুধরানো সম্ভব নয়।”


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now