আর হাতে গোনা কয়েকটা দিন। তারপর কালীপুজোয় সেজে উঠবে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি। ১০৩ বছরের ঐতিহ্যবাহী বড়মার পুজোকে ঘিরে সাজ সাজ রব। এই পুজোকে ঘিরে কালীপুজোর দিন বড়মার মন্দিরে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হয়। কেবলমাত্র প্রতিমা দর্শন নয়, ভোগের জন্যও পড়ে বিশাল লাইন। মায়ের ভোগ পাওয়ার জন্য দর্শনার্থীদের সংগ্রহ করতে হয় কুপনও। কোথায় মিলবে এই কুপন? কী ভাবে মিলবে বড়মার ভোগ? কালীপুজোয় বড়মাকে বিশেষ ভোগ নিবেদন করা হয়। পুজো ও অঞ্জলি শেষে ভক্তদের মধ্যে ভোগ ও প্রসাদ বিতরণের বিশেষ ব্যবস্থাও থাকে। তবে ভোগ সংগ্রহ করতে গেলে নির্দিষ্ট স্থান থেকে কুপন নিতে হয় (naihati boro maa)।
naihati boro maa: নৈহাটির বড়মার কুপন পাবেন কীভাবে?
পুজো শেষে ৮ নভেম্বর রাতেই খুলে দেওয়া হবে বড়মার ভোগের কাউন্টার। নৈহাটি অঞ্চলের শ্যাম রোড এবং জগবন্ধু মোড়ে হবে এই ভোগের কাউন্টার। ৭ এবং ৮ নভেম্বর ভোগের কুপন সংগ্রহ করা যাবে। এই কুপনগুলি বিলি হবে নৈহাটি নরেন্দ্র উচ্চ বিদ্যানিকেতন ও নৈহাটি মহেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এবং নৈহাটি পুরসভায়। রাত দেড়টা থেকে ২টোর মধ্যে কুপন সংগ্রহ করে নিতে হবে দর্শনার্থীদের (naihati boro maa)।
কখন দণ্ডি কাটা যাবে?
৭ তারিখ থেকে ৮ তারিখ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দণ্ডি কাটা যাবে বড়মার মণ্ডপের সামনে। নৈহাটির বড়মার মন্দির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক তাপস ভট্টাচার্য বলেন, ‘ওয়ান ওয়ে লাইন হবে দর্শনার্থীদের জন্য। কোনও ভিআইপি লাইন থাকছে না। গঙ্গার ধারে NDRF থাকবে। ড্রোন এবং সিসিটিভির মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। LED স্ক্রিন থাকবে চারিপাশে যাতে কেউ ঢুকতে না পারলেও মা-কে স্ক্রিনে দেখতে পান।’ বিশেষ করে দণ্ডী কাটার সময়ে কোনও ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়লে যাতে দ্রুত চিকিৎসা মেলে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কী কী ভোগ নিবেদন করা হবে বড়মাকে?
খিচুড়ি, পাঁচমেশালি তরকারি, পোলাও, আলুর দম, সাদা ভাত, লুচি, মিষ্টি। প্রতিদিনই সন্ধ্যায় হরেত রকমের জনপ্রিয় মিষ্টি দেওয়া হবে বড়মাকে। কোনওদিন রসগোল্লা, কোনওদিন স্বরপুরিয়া তো কোনওদিন লাড্ডু।











