বিশাখাপত্তনমে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (HPCL)-এর শোধনাগারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। আর তা থেকেই ছড়ায় অগ্নিকাণ্ড। ঘন ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা চত্বর। সোমবার রাতে আচমকাই এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। আগুন লাগার মুহূর্তের ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে সমাজ মাধ্যমে। জানা যায়, ঘটনার পরই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকল কর্মীরা। মালকাপুরম সার্কেল ইন্সপেক্টর নরসিংহ রাও জানান, এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি (visakhapatnam hpcl refinery fire)।
visakhapatnam hpcl refinery fire: সালফার পিচ ট্যাঙ্কে আগুন
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনার কারণ হিসাবে জানা গেছে, শোধনাগারের একটি সালফার পিচ ট্যাঙ্কে আগুন লাগে। এই সম্পর্কে ইন্সপেক্টর নরসিংহ রাও জানান, “প্রথমে সালফার ইউনিটে আগুন লাগে। সেখানে ‘সালফার পিচ’ (sulfur pitch) নামক একটি পদার্থ ছিল। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ৬টি ইঞ্জিন। এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। সকলে নিরাপদে আছেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।”
কী বলছে HPCL?
সার্কেল ইন্সপেক্টর আরও জানান, এইচপিসিএল (HPCL)-এর নিজস্ব দমকল গাড়িগুলি স্থানীয়ভাবে পরিস্থিতির সামাল দিয়েছে। তাই বাইরে থেকে কোনও সহায়তার প্রয়োজন হয়নি। পাশাপাশি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শোধনাগার থেকে বের হওয়া এই ধোঁয়া জনবসতিপূর্ণ এলাকার জন্য একেবারেই বিষাক্ত বা বিপজ্জনক নয়।
সমাজ মাধ্যমে এইচপিসিএল (HPCL) জানিয়েছে,২ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে প্রথম আগুন লাগার খবর আসে। এরপরই শোধনাগারের দমকল কর্মীরা দ্রুত আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন এবং জরুরি পদক্ষেপ নেন। তারা আরও জানিয়েছে, “আগুন কেবল পিচ ট্যাঙ্কের এলাকাতেই সীমাবদ্ধ ছিল। অল্প সময়ের মধ্যেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।” এইচপিসিএল আরও জানিয়েছে, “শোধনাগারের সব ইউনিট নিরাপদে কাজ করছে। এইচপিসিএল নিরাপত্তা ও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”













