ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

গ্রিন ক্র্যাকারের আড়ালেই বিকোচ্ছে সাধারণ বাজি, জালিয়াতির পর্দাফাঁস

Published on: November 6, 2026
Fake Green Crackers
---Advertisement---

দীপাবলির আগে পরিবেশবান্ধব বাজির অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু সেই বাজি আদৌ কতটা পরিবেশবান্ধব, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। (Fake Green Crackers) দিল্লির অন্যতম বড় বাজির বাজার সদর বাজারে গিয়ে সরেজমিনে যাচাই করে একাধিক বাজির বাক্সে এমন QR কোডের সন্ধান পেয়েছে সংবাদমাধ্যম India Today, যা স্ক্যান করেও মেলেনি গ্রিন সার্টিফিকেশনের প্রয়োজনীয় তথ্য। শুধু তাই নয়, বাজারে বাজি বিক্রির উপর নজরদারির ক্ষেত্রেও চোখে পড়েনি প্রশাসনের।

QR কোড স্ক্যান করেও মিলছে না সার্টিফিকেশন

(Fake Green Crackers) সদর বাজারে একাধিক বাজির বাক্সে QR কোড থাকলেও তা স্ক্যান করে মূলত প্রস্তুতকারক সংস্থার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর ও ইমেল আইডির মতো সাধারণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। অথচ বৈধ গ্রিন ক্র্যাকারের QR কোডে সংস্থার নাম, পণ্যের বিভাগ, PESO লাইসেন্স নম্বর, NEERI গ্রিন ফায়ারওয়ার্কস রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং বিপণনকারীর তথ্য থাকা বাধ্যতামূলক। ফলে বাজিগুলির পরিবেশবান্ধব হওয়ার দাবি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

কীভাবে মেলে গ্রিন ক্র্যাকারের স্বীকৃতি?

PESO বাজি প্রস্তুতকারকদের লাইসেন্স প্রদান করে। অন্যদিকে CSIR-এর অধীন NEERI পরিবেশগত মান যাচাই করে গ্রিন ক্র্যাকার সার্টিফিকেশন দেয়। প্রচলিত বাজির তুলনায় গ্রিন ক্র্যাকারে অন্তত ৩০ শতাংশ পার্টিকুলেট ম্যাটার নির্গমন কমাতে হয়। বিকল্পভাবে, ২০ শতাংশ পার্টিকুলেট ম্যাটার এবং ১০ শতাংশ গ্যাসীয় নির্গমন কমানোর শর্তও রয়েছে। (Fake Green Crackers)

বাজারে বিক্রি, নজরদারি কোথায়?

৩ নভেম্বর এক বাজি বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে India Today। দোকান সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বন্ধ থাকার কথা জানালেও WhatsApp নম্বর দিয়ে যেকোনও সময় বাজি পাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। (Fake Green Crackers) সংবাদমাধ্যমের তরফে কয়েকটি বাজি কিনে সেগুলির সার্টিফিকেশনও পরীক্ষা করা হয়। অথচ সদর বাজার থানার মাত্র ৫০০ মিটারের মধ্যে বিক্রি চললেও কোনও পুলিশ বা প্রশাসনিক আধিকারিককে নজরদারি করতে দেখা যায়নি।

দীপাবলিতে কখন বাজি ফাটানো যাবে?

সুপ্রিম কোর্টের ২ নভেম্বরের নির্দেশ অনুযায়ী, ৭ ও ৮ নভেম্বর সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত শুধুমাত্র সার্টিফায়েড গ্রিন ক্র্যাকার ফাটানো যাবে। হাসপাতাল, নার্সিংহোম, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বৃদ্ধাশ্রম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত সাইলেন্স জোনের ৩০০ মিটারের মধ্যে বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ।

উল্লেখ্য, ৪ ও ৫ নভেম্বরের মধ্যবর্তী রাতে দিল্লির AQI ৬০০ ছাড়িয়ে যায়। (Fake Green Crackers) এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, QR কোডেই যদি বাজির পরিবেশবান্ধব হওয়ার প্রমাণ না মেলে, তবে সাধারণ ক্রেতারা কীভাবে আসল গ্রিন ক্র্যাকার চিনবেন? আর প্রশাসনের নজরদারি ছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকর হবে কীভাবে?


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Ishani Halder

ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলা ও ক্রিকেটের খবরের প্রতি আলাদা আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহ থেকেই সাংবাদিকতায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছি। মূলত খেলার খবর লিখতেই বেশি ভালো লাগে, পাশাপাশি রাজনীতি, ভাইরাল ও বিভিন্ন চলতি বিষয় নিয়েও খবর লিখতে বিশেষ আগ্রহী। খেলাধুলা দেখতে ও তার বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে ভালো লাগে। দ্রুত ও নির্ভুলভাবে তথ্য পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। লেখালিখির পাশাপাশি বই পড়তে খুব ভালো লাগে এবং নতুন বিষয় জানতে সবসময় আগ্রহী।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now