উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে নির্মীয়মাণ বাড়ির ছাদ ভেঙে মৃত্যু হল এক শ্রমিকের। দুর্ঘটনায় আরও কয়েকজন শ্রমিক আটকে পড়েছেন বলে প্রথমে আশঙ্কা করা হয়েছিল। তবে উদ্ধারকাজের শেষে পুলিশ জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে নেই। ঘটনায় পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গাজিয়াবাদের মোদীনগরের সিকরি গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি তৈরির কাজ চলাকালীন কংক্রিটের ছাদ ঢালাইয়ের সময় আচমকাই সেটি ভেঙে পড়ে। সেই সময় সেখানে ছয় থেকে সাতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন। আচমকা ছাদ ভেঙে পড়ায় তাঁরা ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়েন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। পরে উদ্ধারকাজে যোগ দেয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF) এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF)। তাঁদের যৌথ প্রচেষ্টায় পাঁচজনকে উদ্ধার করা হয়। (Ghaziabad House Collapse)
কী কারণে ভাঙল ছাদ, তদন্ত শুরু
ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোদীনগরের বিধায়ক মঞ্জু শিবাচ বলেন, অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। দীপাবলির দিনেও দৈনিক মজুরির আশায় শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন। সেই সময়ই দুর্ঘটনা ঘটে। ছাদ ঢালাইয়ের কাজে ব্যবহৃত শাটারিং সরে গিয়েছিল কি না, নাকি অন্য কোনও কারণে এই বিপত্তি, তা তদন্ত করে দেখা হবে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে, গাজিয়াবাদের গ্রামীণ ডেপুটি পুলিশ কমিশনার সুরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি জানান, খবর পাওয়ার পরই স্থানীয় পুলিশ, দমকল, এনডিআরএফ ও এসডিআরএফকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। পাঁচজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে। আর কেউ ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে নেই। (Ghaziabad House Collapse)
শোকপ্রকাশ যোগী আদিত্যনাথের
এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মৃত শ্রমিকের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও ত্রাণের কাজ জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রশাসনিক আধিকারিকদের। পাশাপাশি মৃতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সবরকম সাহায্যের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।(Ghaziabad House Collapse)











