হুগলির আরামবাগে ‘Banglar Yuva Sathi’ প্রকল্প ও ভূমিহীনদের ফর্ম তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। BDO অফিস চত্বরে ভোর থেকেই হাজার হাজার মানুষের ভিড় জমে যায়। ফর্ম নেওয়া ঘিরে শুরু হয় ঠেলাঠেলি, ধস্তাধস্তি ও কাড়াকাড়ি। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়ে ওঠে যে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েন, কেউ কেউ ফর্ম না নিয়েই ফিরে যান। এলাকায় কার্যত বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত কাউন্টার না থাকায় এবং ওয়ার্ডভিত্তিক ব্যবস্থা না করায় ভিড় সামাল দেওয়া যায়নি। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এসে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। আরামবাগ থানার আইসি রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ মোতায়েন করা হয়। পরে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনলাইনে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং অসুস্থদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। (Banglar Yuva Sathi)
মুখে ‘জয় মা কালী’ স্লোগান, বাংলার জন্য খোলা চিঠি নরেন্দ্র মোদীর
আরামবাগের এক বাসিন্দা জানান, ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও দুপুর পর্যন্ত ফর্ম পাননি। অন্যদিকে বিডিও সুব্রত মল্লিক বলেন, সরকারি প্রকল্পে মানুষের উৎসাহ বেশি থাকায় এত ভিড় হয়েছে, শান্তিপূর্ণভাবে ফর্ম বিতরণের চেষ্টা চলছে।
রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের আগে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে যুবকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। পাল্টা শাসকদলের দাবি, প্রকল্পের সুবিধা পেতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড় হয়েছে।
উল্লেখ্য, এই প্রকল্পে ন্যূনতম মাধ্যমিক পাশ যুবক-যুবতীরা মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন, যা এপ্রিল থেকেই চালু হওয়ার কথা। ফলে আবেদন ঘিরে রাজ্যজুড়ে উৎসাহ বাড়লেও আরামবাগের ঘটনা প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল।









