ভোট আসে ভোট যায়। ভোটের সময় রাজনৈতিক দলের নেতাদের আনাগোনা বেড়ে যায়। অনেক প্রতিশ্রুতিও দেন নেতারা। কিন্তু গ্রামের বেহাল রাস্তার আর কোনও উন্নতি হয় না। এমনই অভিযোগ গ্রামের বাসিন্দাদের। হুগলির সপ্তগ্রাম বিধানসভার অন্তর্গত মহানাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামনাথপুর থেকে রহিমপুর পর্যন্ত রাস্তাটি অবস্থা বেহাল। এ নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে দারুন ক্ষোভ রয়েছে। রাস্তায় গর্ত, হাঁটতে কষ্ট হয়, বাজারে যেতে কষ্ট হয়, বাচ্চাদের স্কুলে যেতে হোঁচোট খায়। বর্ষাকালে রাস্তার অবস্থা আরও করুণ হয়ে ওঠে। জল-কাদা ভেঙে দৈনন্দিন কাজকর্ম সারতে হয় বাসিন্দাদের। (West Bengal Election)
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, ভোট দিলেও রাস্তার উন্নতি হয়নি। কেন উন্নতি করা গেল না- তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। গ্রামের ভাঙাচোরা রাস্তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও রয়েছে। এই বিষয়ে বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি স্বরাজ ঘোষের অভিযোগ, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল উন্নয়নের কথা বলে এবং প্রতি বছর পথশ্রী প্রকল্পের অধীনে রাস্তা নির্মাণের আশ্বাস দেয়। কিন্তু বহু বছর ধরে গ্রামের মানুষ রাস্তা দেখতে পাচ্ছে না। এ রাস্তা দিয়ে মোটরসাইকেল বা সাইকেল চালানো-তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সও পৌঁছাতে পারছে না। (West Bengal Election)
বিজেপির আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল। মহানাদ অঞ্চল তৃনমূল সভাপতি দেবব্রত দাস বলেন, বিজেপির যিনি বলছেন তিনি মহানাদ সম্বন্ধে কিছু জানেন না। ওখানে কয়েক ঘর বিজেপি আছে, সেখানে গিয়ে এসব বলছেন।ওই রাস্তার অনুমোদন হয়ে গিয়েছে। পিচের রাস্তা হবে। অনেক টাকা খরচ তাই সময় লাগছে। তবে শীঘ্রই রাস্তার কাজ শুরু হবে। (West Bengal Election)
গ্রামের রাস্তাটি যে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছেন তৃণমূল নেতা। এবার দেখার বিষয়, সেই আশ্বাস কবে বাস্তব রূপ পায়। (West Bengal Election)











