১১ এপ্রিল চেন্নাইয়িন এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর East Bengal FC শিবির। মহামেডান স্পোর্টিংকে ৭-০ গোলে হারানোর পর লাল-হলুদ সমর্থকদের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দল শিবিরে এল মিশ্র খবর।
আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার কেভিন সিবিলে চোট সারিয়ে দলে ফিরেছেন, যা রক্ষণভাগে স্বস্তি দিচ্ছে। কিন্তু একইসঙ্গে বড় ধাক্কা—মিডফিল্ডের অন্যতম ভরসা মহম্মদ রশিদ চোটের কারণে প্রায় তিন সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে।
৪ এপ্রিল অনুশীলনের সময় হঠাৎই গোড়ালিতে চোট পান রশিদ। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন ফিজিও ও মেডিক্যাল স্টাফরা। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ড্রেসিংরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। হাঁটতেও সমস্যায় পড়তে দেখা যায় তাঁকে। পরে এমআরআই রিপোর্টে জানা যায়, চোট গুরুতর, ফলে তিন সপ্তাহ বিশ্রাম প্রয়োজন।
সঠিক পদক্ষেপই পারে বাঙালির ফুটবল প্রতিভা তুলে আনতে
সব ঠিক থাকলে লিগের শেষের দিকে ফিরতে পারেন রশিদ। তবে ডার্বির আগে তাঁর ফেরার সম্ভাবনা থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এদিকে, আনোয়ার আলিও এখনও পুরোপুরি ফিট নন। হংকং ম্যাচে কুঁচকিতে চোট পাওয়ার পর তাঁর এমআরআই করা হলেও রিপোর্ট এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আপাতত তাঁকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে এবং ধীরে সুস্থে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রশিদের অনুপস্থিতি কোচ অস্কার ব্রুজোর জন্য বড় মাথাব্যথা। কারণ, মিডফিল্ডে যেমন তিনি গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই প্রয়োজনে ডিফেন্সেও সাহায্য করতেন। ফলে কেভিন সিবিলে ফিরলেও ভারসাম্য বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। এই পরিস্থিতিতে জিকসন সিং-কে ডিফেন্স থেকে তুলে মিডফিল্ডে ব্যবহার করা হতে পারে।
অন্যদিকে, দলের বাকি ফুটবলাররা যুবভারতীতে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। নন্দকুমার প্রথমে আলাদা থাকলেও পরে মূল দলে যোগ দেন।
লিগ টেবিলের পরিস্থিতি অনুযায়ী এখন প্রতিটি ম্যাচই ইস্টবেঙ্গলের জন্য ‘ডু অর ডাই’। দল ইতিমধ্যেই চার থেকে পাঁচ নম্বরে নেমে গিয়েছে। ফলে শীর্ষে উঠতে গেলে টানা জয়ের বিকল্প নেই। এই অবস্থায় রশিদ ও আনোয়ারের ফিটনেসই লাল-হলুদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেবে।












