চলতি IPL-এ Kolkata Knight Riders-এর (KKR) সবচেয়ে বড় সমস্যার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে বোলিং বিভাগ। নিলামের পর শক্তিশালী পেস আক্রমণ নিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছিল দল, কিন্তু বাস্তবে সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে। কূটনৈতিক কারণে মুস্তাফিজুর রহমানের না পাওয়া এবং চোটের জন্য মথিশা পাথিরানার অনুপস্থিতি—সব মিলিয়ে পেস আক্রমণ এখন ভীষণ ভোঁতা।
প্রথম দুই ম্যাচেই এই দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। ব্লেসিং মুজারাবানি ছাড়া ধারাবাহিকভাবে প্রভাব ফেলতে পারেননি কেউই। এমন পরিস্থিতিতে পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দিতে হচ্ছে বৈভব আরোরা-কে, যা দলের ভারসাম্য নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।
এই অবস্থায় সকলের নজর এখন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের দিকে। ফিটনেস সমস্যার কারণে এখনও বোলিং শুরু করতে পারেননি তিনি। তবে কেকেআরের বোলিং কোচ টিম সাউদি আশার কথা শুনিয়েছেন। তাঁর মতে, গ্রিন ধীরে ধীরে ম্যাচ ফিটনেস ফিরে পাচ্ছেন এবং খুব শিগগিরই বল হাতে দেখা যেতে পারে।
প্রি-ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকে সাউদি বলেন, “গ্রিন এখন নিয়মিত নেটে বোলিং করছে। চোট থেকে ফেরার প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ হলেও সবকিছু ঠিকঠাক এগোচ্ছে। খুব দ্রুত ওকে ম্যাচে বল করতে দেখা যাবে।” তিনি জানান, গ্রিনের ওয়ার্কলোড ধাপে ধাপে বাড়ানো হচ্ছে যাতে ফেরার পর কোনও ঝুঁকি না থাকে।
Good to see Matheesha Pathirana back bowling in the nets.. 🔥 The slinger is almost there 💜
— Nibraz Ramzan (@nibraz88cricket) April 4, 2026
He’ll do the fitness test soon — if he passes, he’ll be joining KKR in IPL 2026!
Come on Pathi, we need that deadly yorkers back.. 💪 #IPL26 #KKR
🎥- Amila( X) pic.twitter.com/ak9I8mDVnC
তবে গ্রিনকে নিয়ে বিতর্কও কম নয়। অনেকেই মনে করছেন, তিনি পুরোপুরি ফিট না হওয়া পর্যন্ত অন্য বিদেশি ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়া উচিত। বিশেষ করে রোভম্যান পাওয়েল বা রাচিন রবীন্দ্রকে দলে নেওয়ার দাবি উঠেছে। অধিনায়ক অজিঙ্ক রাহানেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, পাঞ্জাব ম্যাচে একাদশে বদল আসতে পারে।
অন্যদিকে, সমর্থকদের বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন মথিশা পাথিরানা। চোট সারিয়ে ফিট হলেও এখনও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের NOC না মেলায় তাঁর যোগদান ঝুলে রয়েছে। তবে সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই ছাড়পত্র মিলতে পারে। এমনকি ৯ এপ্রিল লখনৌর বিরুদ্ধে ম্যাচে তাঁকে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
সব মিলিয়ে, বোলিং শক্তি ফেরাতে এখন গ্রিন ও পাথিরানার উপরেই ভরসা কেকেআরের। তাঁদের দ্রুত প্রত্যাবর্তনই নাইটদের ঘুরে দাঁড়ানোর চাবিকাঠি হতে পারে।











