ভারতীয় ক্রিকেট তারকা বিরাট কোহলির বিনিয়োগ করা জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ চেইন One8 Commune-এর বেঙ্গালুরু শাখায় শেষমেশ ঝুলল তালা। ভাড়া না মেটানো, আইনি জটিলতা এবং প্রশাসনিক নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে কার্যত বন্ধ হয়ে গেল চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের কাছে অবস্থিত এই অভিজাত রেস্তোরাঁটি। বিরাট IPL-এর সময়ে প্রতি বছরই তাঁর সতীর্থদের নিয়ে এখানে খেতে যেতেন। ফলে তারকাখচিত হওয়ায় এটার দিকে নজর ছিল সকলের। এখন সেই আলোও গেল এবং গ্ল্যামারও নষ্ট হলো। (Virat Kohli One8 Commune)
বেঙ্গালুরুর অভিজাত এলাকায় অবস্থিত এই রেস্তোরাঁটির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া বকেয়া থাকার অভিযোগ ছিল। প্রায় ছ’মাস ধরে ভাড়া পরিশোধ করা হয়নি। শুধু ভাড়াই নয়, রেভিনিউ শেয়ার এবং মেন্টেন্যান্স বাবদও বিপুল অঙ্কের টাকা বকেয়া ছিল। সব মিলিয়ে বকেয়ার পরিমাণ ২ কোটির টাকারও বেশি ছিল। এরপর ভবনের মালিক বেঙ্গালুরুর সিভিল কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালতের নির্দেশে আপাতত রেস্তোরাঁটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সমস্ত বকেয়া মেটানো না হলে পুনরায় খোলার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। (Virat Kohli One8 Commune)
জানা গেছে, এই আউটলেটটি পরিচালনা করত Trio Hills Hospitality। তবে এর আগেই এই শাখা থেকে নিজের নাম সরিয়ে নিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। একাধিক কমপ্লায়েন্স সমস্যা, অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত নোটিস এবং প্রশাসনিক জটিলতার জেরে তিনি ধীরে ধীরে এই আউটলেট থেকে দূরত্ব তৈরি করেন বিরাট বলে দাবি সূত্রের।
এখানেই শেষ নয়। এর আগে ধূমপানের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা না থাকার অভিযোগে COTPA আইন-এ মামলা হয়েছিল। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের পর রেস্তোরাঁ খোলা রাখার অভিযোগও ওঠে। বেঙ্গালুরুর পুর প্রশাসন বৃহৎ বেঙ্গালুরু মহানগরপালিকেও একাধিকবার নোটিস পাঠিয়েছিল বলে জানা যায়। (Virat Kohli One8 Commune)
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে বড় আড়ম্বরে শুরু হয়েছিল এই শাখার পথচলা এবং এই রেস্তোরাঁর এমন পরিণতি অনেককেই অবাক করেছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শুধুমাত্র সেলিব্রিটি নাম ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে পারে না, নিয়ম মেনে চলা এবং আর্থিক শৃঙ্খলাই হয় শেষ কথা। বিরাটের ব্র্যান্ড ভ্যালু থাকলেও ব্যবসায়িক গাফিলতির মাশুল গুনতে হলো One8 কমিউনেকে।












1 thought on “Virat Kohli One8 Commune: বকেয়া ভাড়া- ফেঁসে আইনি জটে, বন্ধ বিরাট কোহলির রেস্তোরাঁ One8 Commune”