গণেশ বলতেই সাধারণত চোখের সামনে ভেসে ওঠে হাতির মাথা ও মানুষের শরীরের পরিচিত দেবমূর্তি। কিন্তু পুরাণে গণেশের এমন এক রূপের কথাও পাওয়া যায়, যেখানে হাতির মাথার সঙ্গে রয়েছে নারীর দেহ। এই অদ্ভুত ও বিরল রূপই পরিচিত ‘বিনায়কী’, ‘গণেশিনী’ বা ‘বিঘ্নেশ্বরী’ নামে। একাধিক পুরাণে উল্লেখিত এই নারী রূপকে গণেশের বিশেষ শক্তির প্রকাশ হিসেবে দেখা হয়। (Ganesh Hindu Mythology)
গণেশের নারীশক্তি
গণেশের এই নারী রূপকে তাঁরই এক বিশেষ দৈবশক্তি হিসেবে দেখা হয়। দেবী পার্বতী যেমন শক্তির প্রতীক, তেমনই গণেশিনীকে গণেশের নারীশক্তির প্রকাশ হিসেবে মানা হয়। তাঁর মাথা হাতির। দেহ নারীর। পুরাণের কাহিনি অনুযায়ী, তিনি মূলত বাধা দূর করার শক্তির প্রতীক।
প্রাচীন মৎস্য পুরাণ, লিঙ্গ পুরাণ এবং অগ্নি পুরাণে এই বিশেষ দেবীর উল্লেখ রয়েছে। কোথাও তাঁকে মাতৃকাগণের নবম রূপ হিসেবেও বর্ণনা করা হয়েছে। বাণাসুর এবং অন্ধকাসুরের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দেবদেবীদের সাহায্য করতে এই বিশেষ শক্তির আবির্ভাব হয়েছিল বলে পুরাণে উল্লেখ রয়েছে। (Ganesh Hindu Mythology)
বিভিন্ন মন্দিরে রয়েছে মূর্তি
শুধু পুরাণের পাতায় নয়, ভারতের বেশ কিছু প্রাচীন মন্দির ও স্থাপত্যেও বিনায়কীর মূর্তি দেখা যায়। রাজস্থানের সীগড় শহরের একটি দশম শতাব্দীর শিব মন্দিরে তাঁর মূর্তি খোদাই করা রয়েছে।
এছাড়াও তামিলনাড়ুর সুচিন্দ্রম মন্দিরে চার হাতযুক্ত বিঘ্নেশ্বরীর মূর্তি রয়েছে। মধ্যপ্রদেশের ভেরাঘাটের চৌষট্টি যোগিনী মন্দিরেও তাঁর উপস্থিতি দেখা যায়। (Ganesh Hindu Mythology)
বিভিন্ন মূর্তিতে দেবীর হাতে শূল, কুঠার এবং মোদক দেখা যায়। ভারতের কিছু অঞ্চলে এই দেবী ‘শ্রীবিদ্যা গণপতি’ নামেও পূজিত হন। ফলে গণেশের পরিচিত পুরুষ রূপের পাশাপাশি তাঁর এই নারী রূপও ভারতীয় ধর্মীয় ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।













Just stumbled upon this site and I am already hooked. The speed is amazing and the vibes are just right for a gamer. vn47tg88