দিল্লিতে নিট ২০২৬ এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলতে থাকা সিজেপি (Cockroach Janta Party)-র আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। ইতিমধ্যেই বুধবার রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল যন্তর মন্তর এলাকা। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে সাময়িকভাবে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আর তারপরই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (DMRC) এর তরফে রাজধানীর ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যন্তর মন্তরে চলা বিক্ষোভে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক আন্দোলনকারী জড়ো হওয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে DMRC। তবে যাত্রীদের কিছুটা সুবিধার জন্য রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে ইন্টারচেঞ্জ (লাইন বদলের) পরিষেবা চালু থাকবে। অর্থাৎ এই স্টেশনগুলিতে ট্রেন বদল করা যাবে, কিন্তু যাত্রীদের ওঠানামা করার অনুমতি থাকবে না।
16 Metro Station Closed: কোন ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে?
1. লোক কল্যাণ মার্গ
2. রাজীব চক
3. প্যাটেল চক
4. রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ
5. বারাখম্বা রোড
6. সুপ্রিম কোর্ট
7. সেবা তীর্থ
8. জনপথ
9. মান্ডি হাউস
10. সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট
11. আইটিও (ITO)
12. দিল্লি গেট
13. ইন্দ্রপ্রস্থ
14. খান মার্কেট
15. জোর বাগ
16. শিবাজি স্টেডিয়াম
যন্তর মন্তরে ফের অশান্তি, পাথরবৃষ্টিতে আহত ৬ পুলিশকর্মী, পাল্টা কাঁদানে গ্যাস পুলিশের
DMRC আরও জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধই থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষের দাবি, সমগ্র পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে এবং নিরাপত্তা সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রাজধানীতে চলা CJP-র আন্দোলনের কারণে জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই আপাতত এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মেট্রো স্টেশন বন্ধে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
এদিকে মেট্রো স্টেশন বন্ধ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দুপুরের মধ্যে সমাধান না হলে হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত প্রধান বিচারপতির। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি বলেন, নিরাপত্তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের যাতায়াতও নিশ্চিত করতে হবে। তিনি জানান, দুপুরের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে আদালত নিজেই হস্তক্ষেপ করতে পারে। (16 Metro Station Closed)
তাঁর মতে, গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় অফিসযাত্রী, ছাত্রছাত্রী ও জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যেমন জরুরি, তেমনি মানুষের চলাচলের অধিকারও রক্ষা করতে হবে। তাই প্রধান বিচারপতি প্রস্তাব দেন, সুপ্রিম কোর্ট মেট্রো স্টেশনে যাত্রীদের স্ক্রিনিং করে শুধুমাত্র বৈধ প্রোক্সিমিটি কার্ড বা সুপ্রিম কোর্টের পরিচয়পত্র দেখে তবেই তাদের বের হতে দেওয়া যেতে পারে। এই প্রস্তাব নিয়ে দিল্লি মেট্রো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।












1 thought on “CJP আন্দোলনের জেরে রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা, যাত্রী সুরক্ষায় বন্ধ ১৬ মেট্রো স্টেশন”
Comments are closed.