এবার খাস রাজধানীতেই বড়সড় পাকিস্তানি গুপ্তচরচক্রের হদিশ পেল দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। ISI-র মদতে পাকিস্তান থেকে পরিচালিত ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে দিল্লির এক দম্পতিকে। পুলিশের দাবি, প্রায় দু’বছর ধরে তাঁরা এই চক্রের হয়ে কাজ করছিলেন। একাধিক ভারতীয় SIM কার্ড সংগ্রহ করে পাকিস্তানে পাঠানোই ছিল তাঁদের অন্যতম প্রধান কাজ। (ISI Spy Link)
গ্রেফতার হওয়া দুজন হলেন, বছর ২৫ এর মহম্মদ সাহিল এবং তাঁর ২১ বছরের স্ত্রী সমীরা। পুলিশের দাবি, তাঁরা গোপনে ভারতীয় SIM কার্ড পাকিস্তানে পাঠাতেন। এরপর পাকিস্তানে বসেই ওই SIM ব্যবহার করে WhatsApp অ্যাকাউন্ট চালু করত পাক গুপ্তচরচক্র। সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভারতীয় WhatsApp গ্রুপে ঢুকে প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হত।
পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের মধ্যে মোট আটটি ভারতীয় SIM কার্ড পাকিস্তানে পাঠানোর জন্য দম্পতিকে ৩০ হাজার টাকাও দেওয়া হয়েছিল। কার্ডগুলি দুবাই হয়ে পাকিস্তানে পৌঁছত। পরে সেগুলি ব্যবহার করে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হত।
ISI Spy Link: কীভাবে ISI এর সঙ্গে যোগাযোগ ওই দম্পতির?
পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, সাহিলের সঙ্গে এক পাক এজেন্টের ইন্সটাগ্রামে যোগাযোগ হয়েছিল। পরে ওই পাক এজেন্ট সাহিল ও সমীরাকে এক পাকিস্তানি গোয়েন্দা আধিকারিকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়। অভিযোগ, ধীরে ধীরে তাঁদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজে যুক্ত করা হয়।
বন্যা বিপর্যস্ত নেপালে নিখোঁজ ৩২০ জন ভারতীয়, নিরাপদে ৪০০ জন, জানাল বিদেশমন্ত্রক
কীভাবে পুলিশ বাঞ্চাল করলো এই চক্র?
ISI-সমর্থিত এই নেটওয়ার্ক সম্পর্কে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল গোপন সূত্রে খবর পায়। তদন্তে জানা যায়, দিল্লি ও তার আশেপাশের অঞ্চলে কয়েকজনকে লজিস্টিক সহায়তা এবং SIM সংগ্রহের কাজে যুক্ত করা হয়েছে। এরপর সাহিলকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করা হয়।
দম্পতির কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ফরেনসিক পরীক্ষায় ওই ফোনে পাকিস্তানি এজেন্টদের সঙ্গে কথোপকথনের বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এখনও তদন্ত চলছে। এই দম্পতির সঙ্গে এই চক্রে আরও কেউ যুক্ত ছিল কিনা সে বিষয়েও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। (ISI Spy Link)










1 thought on “পাকিস্তানে বসেই ভারতীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে উঁকি ISI এর, গ্রেফতার ‘স্পাই দম্পতি’”