কাশির সিরাপ কিনতে এবার কড়াকড়ি কেন্দ্রের। ওষুধ কেনার জন্য এবার থেকে বাধ্যতামূলক চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন (Cough Syrup)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের এক বিশেষ নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সব ধরনের তরল ওষুধ বা সিরাপ এখন থেকে চিকিৎসকের পরামর্শপত্র বা প্রেসক্রিপশন না থাকলে ফার্মেসি থেকে কিনতে পারবেন না।
এই নির্দেশানুসারে, ড্রাগ আইন ১৯৪৫-এর নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে এই নিয়ম বলবৎ করা হয়েছে। এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত ওষুধগুলোর ক্ষেত্রে ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিকস অ্যাক্ট, ১৯৪০’-এর কিছু নির্দিষ্ট শর্ত বা নিয়ম থেকে ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে। প্রসঙ্গত, কাশির সিরাপে ‘কোল্ডরিফ’ ব্যবহার করা হয়।
সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে পরপর শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরপরই তামিলনাড়ু, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, কেরল, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া কাশির সিরাপ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে যে, এই নয়া নীতি অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে এবং দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ওষুধের দোকানগুলিতে এই নিয়ম মেনে চলা বাধ্যতামূলক। এই কড়া পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ হলো শিশুদের ক্ষেত্রে কাশির সিরাপের অতিরিক্ত সেবন রোধ করা এবং অ্যান্টিবায়োটিক বা ড্রাগ-যুক্ত সিরাপের অপব্যবহার কড়া হাতে নিয়ন্ত্রণ করা।
সূত্রের খবর, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকার খসড়া প্রস্তাবটি প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই খসড়া প্রস্তাবের ওপরে সাধারণ নাগরিক, চিকিৎসা ক্ষেত্রে যুক্ত বিশেষজ্ঞ এবং বিভিন্ন ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফ থেকে আসা মতামত, আপত্তি এবং পরামর্শ গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেই এই চূড়ান্ত নীতি রূপায়ণ করা হয়েছে।










