---Advertisement---
lifezone nursing home

ইন্দোনেশিয়ায় ফের ভূমিকম্প, ৬.৭ মাত্রার কম্পনে দুলল সুলাওয়েসি দ্বীপ

June 16, 2026 1:39 PM
---Advertisement---

সাত সকালে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসি দ্বীপ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.৭। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মধ্য সুলাওয়েসি প্রদেশের রাজধানী পালু শহরের দক্ষিণ-পূর্বে প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দূরে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। (Indonesia Earthquake)

কম্পনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে প্রায় এক মিনিটেরও বেশি সময় ধরে কেঁপে ওঠে পালু শহর ও আশপাশের এলাকা। প্রায় চার লক্ষ মানুষের বাস এই শহরে। ভূমিকম্পের পর একাধিক শক্তিশালী আফটার শক অনুভূত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ঝাঁকুনির মাত্রা ছিল ৫.২। (Indonesia Earthquake)

ভূমিকম্পের জেরে বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কয়েকটি হাসপাতাল থেকে রোগীদের দ্রুত বাইরে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেক রোগীকেই স্যালাইন চলাকালীন অবস্থায় হাসপাতালের বাইরে নিয়ে আসতে দেখা যায়। তবে প্রাথমিকভাবে কোনও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামির কোনও আশঙ্কা নেই। (Indonesia Earthquake)

ভূমিকম্পের খবর সামনে আসতেই ২০১৮ সালের ভয়াবহ বিপর্যয়ের স্মৃতি ফিরে আসে সুলাওয়েসির বাসিন্দাদের মনে। ওই বছর ৭.৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প পালু শহর ও আশপাশের এলাকা তছনছ করে দিয়েছিল। সেই কম্পনের জেরে প্রায় তিন মিটার উঁচু সুনামি আছড়ে পড়ে উপকূলে। পাশাপাশি ‘লিকুইফ্যাকশন’-এর মতো বিরল ভূতাত্ত্বিক ঘটনার কারণে বহু এলাকা মাটির তলায় তলিয়ে যায়। সেই বিপর্যয়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

এর পর ২০২১ সালের জানুয়ারিতেও সুলাওয়েসির মামুজু শহরের কাছে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ১০০ জনের প্রাণহানি ঘটে। বহু মানুষ দিনের পর দিন বাড়ি ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। ফলে মঙ্গলবারের ভূমিকম্প নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। (Indonesia Earthquake)

প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায় একাধিক সক্রিয় ফল্ট লাইন থাকায় ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা প্রায়শই ঘটে। মঙ্গলবারের কম্পনের পর পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ মোকাবিলা সংস্থাগুলি।

আরও পড়ুন : রাজ্যে পাকাপাকিভাবে ঢুকল মৌসুমি বায়ু, ভাসবে উত্তরবঙ্গ, দক্ষিণের কপালে কী?


Ranita Saha

নতুন নতুন বিষয় জানার ইচ্ছে থেকেই সাংবাদিকতার পেশায় আসা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার স্নাতকোত্তরের ছাত্রী। কলেজ জীবন থেকে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার লেখালেখি শুরু। বাংলা, ইংরেজির পাশাপাশি হিন্দিতেও স্বচ্ছন্দ। রাজনীতি ছাড়াও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক এবং বিনোদন সংক্রান্ত খবর লিখতে ভালো লাগে। অবসর সময়ে বই একমাত্র বন্ধু। পড়ালেখার পাশাপাশি গান, নাচ এবং আঁকা ভালোবাসার বিষয়।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment