---Advertisement---
lifezone nursing home

বারুইপুর হাসপাতালে তোলাবাজি, গ্রেফতার ১

June 16, 2026 5:26 PM
Baruipur Hospital
---Advertisement---

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর (Baruipur Hospital) মহকুমা হাসপাতালে দালাল যোগ। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার এজেন্সি কর্মী। হাসপাতালে রোগীর কাছ থেকে চিকিৎসকের ফি ও যন্ত্রপাতির খরচের নামে ১৪ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার।

সূত্রের খবর, হাসপাতাল সুপারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বারুইপুর থানায় মামলা রুজু (Baruipur Hospital) । অভিযোগ, হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বার পরিবারের কাছ থেকে ডাক্তারি ফি ও যন্ত্রপাতির খরচ বাবদ টাকা চায় হাসপাতালের এজেন্সির কর্মী।

অভিযোগকারীর দাবি, “হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ৭০ হাজার টাকা লাগবে। সেই টাকা আমি অনলাইনে পেমেন্ট করি। কিন্তু তারপর অপারেশন ঠিকঠাক হয়নি। আমি অভিযোগ করি। কিন্তু অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেও টাকা ঠিকঠাক পাইনি। পরবর্তী সময়ে হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ আমাকে যোগাযোগ করতে বলে, তারপরও আমি টাকা ফেরত পাইনি। আমার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আমাদের ডাকে। আমার বোনের মারফত এদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। আমি অনেক চেষ্টা করেও টাকা ফেরত পাইনি।”

হাসপাতাল সূত্রে খবর, বিষয়টি জানাজানি হতেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে অভিযোগকারী পরিবার। অভিযুক্তকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশি হেফাজতে নিয়ে প্রতারণার টাকা উদ্ধার ও ঘটনার তদন্তের জন্য ৭ দিনের হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। পুলিশ সূত্রে এমনটাই খবর।

সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সরকারি হাসপাতালকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ সামনে এসেছে। চিকিৎসা পরিষেবার মান, রোগী পরিষেবা এবং প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপর সরাসরি নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশাসনের একাংশের মতে, হাসপাতালগুলিতে কোথাও কোনও সমস্যা তৈরি হলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের জন্য এই ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কন্ট্রোল রুম থেকে জেলার হাসপাতালগুলির পরিস্থিতিও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে। শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির পরিষেবা সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment