পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে তৈরী হয়েছে বিভিন্ন সমস্যা। গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি থেকে সরবরাহের সমস্যা, ক্রমশ চিন্তার কারণ হচ্ছে। রেস্তোরাঁ থেকে গৃহস্থের রান্নাঘর। সব জায়গায় LPG নিয়ে দুশ্চিন্তা বিদ্যমান। বাদ যাচ্ছে না ভারতীয় রেলের খাদ্য পরিষেবাগুলিও।
এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরবচ্ছিন্ন খাদ্য পরিষেবা বজায় রাখতে বিশেষ পরামর্শ জারি করেছে ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ক্যাটারিং অ্যান্ড ট্যুরিজম কর্পোরেশন বা IRCTC।
১০ মার্চ IRCTC রেলস্টেশনগুলির ফুড প্লাজা, রিফ্রেশমেন্ট রুম ও জন আহার আউটলেটগুলিকে একটি চিঠি দেয়। তাতে বলা হয় এই ফুড আউটলেটগুলিকে LPG ঘাটতির সম্ভাবনা মাথায় রেখে বিকল্প রান্নার পদ্ধতি প্রস্তুত রাখতে হবে। প্রয়োজনে মাইক্রোওয়েভ বা ইন্ডাকশনের মতো ব্যবস্থায় রান্না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
IRCTC-র মতে, পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক সংঘাত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে। তার ফলে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের জোগানেও সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পরামর্শে আরও বলা হয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা মেটাতে ক্যাটারিং ইউনিটগুলিতে পর্যাপ্ত ‘রেডি-টু-ইট’ (RTE) খাবারের মজুত রাখতে হবে। মানসম্মত খাদ্য সরবরাহ যাতে কোনও পরিস্থিতিতেই বন্ধ না হয়। সেদিকেও নজর দিতে বলা হয়েছে।
ক্যাটারারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যদি কোনও এলাকায় এলপিজি সরবরাহে সমস্যা দেখা দেয় বা পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তখনই তা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।
এদিকে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহণ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় কেন্দ্র সরকারও সতর্ক হয়েছে। মঙ্গলবার প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাইপযুক্ত গ্যাস ব্যবহারকারী পরিবার এবং যানবাহনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
IRCTC জানিয়েছে, যাত্রী পরিষেবায় কোনও ব্যাঘাত এড়াতেই এই নির্দেশিকা কঠোরভাবে মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে।












