অযোধ্যায় রামমন্দিরে দানের টাকা চুরির মাঝেই শিরোনামে জম্মু ও কাশ্মীরের বৈষ্ণোদেবী মন্দির। মন্দিরের দানে পাওয়া ৫৫০ কোটি টাকার রূপো নাকি নকল, নাকি চুরি গিয়েছে সে সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীরের একটি আদালত (Vaishno Devi Temple)।
সূত্রের খবর, আগামী ২৯ জুলাই জম্মুর মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) মণীশ কুমার মানহাস ক্রাইম ব্রাঞ্চের তদন্তকারী আধিকারিকদের রিপোর্ট তলবের নির্দেশ দিয়েছে আদালত (Vaishno Devi Temple)।
আইনজীবী দীপক শর্মার দায়ের করা একটি আবেদনের ভিত্তিতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) মুনীশ কুমার মানহাস এই নির্দেশ দিয়েছেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত এবং এফআইআর (FIR) দায়েরের আবেদন করে আইনজীবী দীপক শর্মা আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তাঁর অভিযোগ ছিল যে, ভক্তদের প্রতারিত করা হতে পারে অথবা আসল রূপো সরিয়ে তার বদলে অন্য ধাতু দেওয়া হয়েছে।
মে মাসে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের তরফে ৫৫০ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ২০ টন রুপোর দান সামগ্রী গলানো ও সংরক্ষণের পাঠানো হয়েছিল সরকারি টাঁকশালে। সেখানে রূপোর গয়না নিয়ে যেতেই জানা যায়, মন্দির থেকে যে রূপো নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৫ শতাংশ আসল রূপো। বাকি ৯৫ শতাংশ ক্যাডমিয়াম ও লোহা। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, ভক্তরা অজান্তেই নকল রূপো ঈশ্বরের কাছে অর্পণ করেছেন।
তবে বিষয়টি নিয়ে সরব হন আইনজীবী দীপক শর্মা। মন্দিরে দানের আসল রূপো বদলে নকল রূপো মেশানোর সন্দেহে জম্মু ও কাশ্মীরের ক্রাইম ব্রাঞ্চের ইনস্পেক্টর জেনারেলের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। ৯ মে দায়ের হওয়া সেই অভিযোগ পত্রে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, আত্মসাৎ এবং সরকারি নথিপত্রের বিকৃতি’-র অভিযোগ তোলা হয়। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৯ জুলাই।












1 thought on “বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের ৫৫০ কোটির রূপো নকল? রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ”