TCS-এর পর এবার কাঠগড়ায় টেক মাহিন্দ্রার (Tech Mahindra) গোরেগাঁও শাখা। TCS নাসিকের BPO ইউনিটে যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তকরণের অভিযোগে তোলপাড় গোটা মহারাষ্ট্র। এবার একই রকম অভিযোগ উঠল টেক মাহিন্দ্রার মুম্বইয়ের গোরেগাঁও আইটি পার্কের অফিসেও।
আইনজীবী আশুতোষ জে দুবে ১২ এপ্রিল সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন। যেখানে লেখেন, টেক মাহিন্দ্রার গোরেগাঁও ক্যাম্পাসের এক কর্মী তাঁকে মেসেজ করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে সেই কর্মীর কথপোকথন সমাজমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। সেই মেসেজে ওই কর্মীর অভিযোগ, এই কোম্পানির ৬০ শতাংশেরও বেশি কর্মী একটি নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের এবং উৎসবের সময় তাঁরা বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকেন।
ওই কর্মীর দাবি, একজন HR ম্যানেজারের নাম উল্লেখ করে তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলা হয়। দাবি করা হয়, গোরেগাঁওয়ের অফিসে প্রায় ৬০ শতাংশ কর্মীই মুসলিম। সেখানকার পরিবেশকে ‘মিনি পাকিস্তান’ হিসেবেও বর্ণনা করেন তিনি। যদিও এই স্ক্রিনশটের সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান নিউজ পয়েন্ট। ওই কর্মীর আরও দাবি, মুসলিমদের কোনও কর্পোরেট নীতিও মানতে হয় না। মুসলিম মহিলাদের বোরখা পরার অনুমতি দেওয়া হয়। রমজানের সময়ে অফিসে রোজ ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়।
এই বিতর্কের পরই এই নিয়ে টেক মাহিন্দ্রার তরফে বলা হয়েছে, “টেক মাহিন্দ্রার অভ্যন্তরে ধর্মীয় পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু পোস্ট ঘুরছে। আমরা এই ধরনের উদ্বেগগুলোকে গুরুত্ব সহকারে নিই এবং আমরা এই নিয়ে অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা চালিয়েছি, যেখানে এই দাবিগুলোকে কোনওটাই সঠিক নয়, সবটাই ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে। কোনও ঘটনাই সঠিক নয়, এই ছবিগুলি আমাদের অফিসের নয় এবং নিয়োগ পদ্ধতি সংক্রান্ত পোস্টটিও সম্পূর্ণ মিথ্যে।”
তবে সমাজমাধ্যমে বেশ কিছু নেটিজেনদের(Tech Mahindra) দাবি, প্রথমে এই দাবিগুলির সত্যতা যাচাই করা উচিত। বিশেষ করে এই ক্ষেত্রে ধর্ম এবং কর্মক্ষেত্রের গতিপ্রকৃতি-সংক্রান্ত সংবেদনশীল বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। তাই যাচাই করার আগে এই বিষয়টি নিয়ে বেশি হইচই না করাই উচিত।










