(Suraj Kumar) বন্ধুত্বের বয়সে আনন্দের সংজ্ঞাটাও বড্ড সরল। কখনও এক বোতল ঠান্ডা পানীয় ভাগ করে খাওয়া, কখনও বা বন্ধুর হাতে রান্না করা সামান্য কিছু খাবার—তাতেই যেন জমে ওঠে গোটা দিন। এমনই ছোট ছোট আনন্দের গল্প নিজের কনটেন্টে তুলে ধরে নেটদুনিয়ার নজর কেড়েছে খুদে ইনফ্লুয়েন্সার সুরজ কুমার।
Suraj Kumar: ছোট্ট রান্নাঘর থেকে নেটদুনিয়ায় ‘হিরো’
বন্ধুদের জন্য রান্না করা, খাওয়ানো, গল্প-আড্ডা—সুরজের ভিডিয়োর বিষয়বস্তু খুবই সাধারণ। কিন্তু সেই সাধারণ মুহূর্তগুলিই নেটিজেনদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। তার কনটেন্টে অনেকেই যেন নিজের ছোটবেলার বন্ধুত্ব আর হইচইয়ের দিনগুলিকে ফিরে পান।
ছিল কার্ডবোর্ডের বাক্স হয়ে গেল এয়ার পিউরিফায়ার, নতুন আবিষ্কারে সকলকে চমকে দিলেন IIT গবেষক
Suraj Kumar: কানাডা থেকে এল সাহায্য
সুরজের ভিডিয়ো দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন কেশা নামে কানাডার এক মহিলা। খুদে ক্রিয়েটর যাতে আরও ভালোভাবে কাজ করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যে তিনি সুরজকে আর্থিক সাহায্য পাঠান। আর সেই টাকা হাতে পেয়েই সুরজের মাথায় এল এক অভিনব পরিকল্পনা—একা আনন্দ নয়, বন্ধুদের সঙ্গেই হবে উদ্যাপন।
ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, কাপ কেক আর সঙ্গে একগুচ্ছ হাসি
ছাদে বন্ধুদের নিয়ে ছোট্ট পিকনিকের আয়োজন করল সুরজ। (Suraj Kumar) নিজে আলু কেটে বানাল ফ্রেঞ্চ ফ্রাই। সঙ্গে প্লেটভর্তি কাপ কেক, প্যাটিস, গোলাপজাম। প্রত্যেকের হাতে ঠান্ডা পানীয়ের বোতল। যে জিনিস একসময় সবাই মিলে ভাগ করে খেতে হতো, সেদিন সেটাই হল প্রত্যেকের নিজের।
সুরজের সেই ভিডিয়োতেই ধরা পড়েছে খুদে বন্ধুদের নির্মল হাসি। কোনো বিলাসী আয়োজন নয়, সামান্য খাবারে একসঙ্গে আনন্দ করার সেই দৃশ্যই ছুঁয়ে গিয়েছে নেটদুনিয়ার মন।









