ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

অর্শদীপ সিং-এর “ডিজিটাল রিসেট”, ২০০ পোস্ট ডিলিট করলেন ‘রিলের রাজা’

Arshdeep Singh
---Advertisement---

ক্রিকেটের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়ানো শুরু করেছিলেন অর্শদীপ সিং (Arshdeep Singh)। একের পর এক রিল তৈরি করছিলেন তিনি। যা নিয়ে বিতর্কও হয়েছিল। এ বার সেই রিলস নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। সম্প্রতি অর্শদীপ সিং তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ২০০টিরও বেশি পোস্ট মুছে ফেলেছেন। শুধু তাই নয়, বিরাট কোহলির সঙ্গে করা তাঁর বিখ্যাত ও জনপ্রিয় রিলটিও (যেটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় ভাইরাল হয়েছিল) মুছে ফেলা পোস্টগুলোর তালিকায় রয়েছে।

এই আকস্মিক “ডিজিটাল রিসেট” বা সোশ্যাল মিডিয়া পরিষ্কার করার পেছনে কোনও আনুষ্ঠানিক কারণ এখনও জানাননি তিনি। তবে ভক্ত ও গণমাধ্যমের ধারণা, টুর্নামেন্ট চলাকালীন বেশ কিছু বিতর্ক—যেমন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটার তিলক ভার্মার প্রতি তাঁর একটি মন্তব্য এবং দলের যুজবেন্দ্র চাহালকে নিয়ে একটি ভিডিয়ো—সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় তুলেছিল, যার ফলেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

বদলানো হয়েছে প্রোফাইল পিকচার, এমনকি নিজের পরিচয় লেখা ‘বায়ো’-টুকুও একেবারে সাফ করে দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে অর্শদীপের প্রোফাইলে মাত্র ৪৪টি পোস্ট রয়েছে, যার সিংহভাগই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার। ব্যক্তিগত বা অনান্য পোস্ট রাতারাতি ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। মুছে দেওয়া পোস্টগুলোর মধ্যে বিরাট কোহলির সঙ্গে তোলা একটি জনপ্রিয় রিলও রয়েছে, যা প্রায় দেড় কোটি মানুষ দেখেছিলেন।

এত বিতর্কের মাঝে অর্শদীপ অবশ্য এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য বা ব্যাখ্যা দেননি। তবে তাঁর প্রোফাইলে এই মুহূর্তে সাম্প্রতিক ব্যক্তিগত পোস্ট রয়েছে মাত্র একটি। যেখানে লেখা— ‘সবর। শুকর। পঞ্জাব।’ অর্থাত্ৎ ধৈর্য। কৃতজ্ঞতা। পাঞ্জাব।

অনেকেই মনে করছেন, উত্তাল পরিস্থিতির মাঝে নিজের অবস্থান ও মানসিকতা বোঝানোর জন্য এটাই এই তরুণ পেসারের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ও বিচক্ষণ উপায়। ক্রিকেট এখন আর শুধু মাঠের ২২ গজে সীমাবদ্ধ নেই। অর্শদীপের এই ইনস্টাগ্রাম ‘রিসেট’ করার সিদ্ধান্ত সেই কঠিন বাস্তবতাই আরও একবার প্রমাণ করল।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now