ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

অসমের বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮৭, ক্ষতিগ্রস্ত ১ লক্ষ ২৮ হাজার

Assam Floods
---Advertisement---

বৃষ্টি কমেছে। তবুও কমেনি জল। অসমে ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনজীবন। বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। প্রায় ৮৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন বন্যায়। প্রায় ১ লক্ষ ২৮ হাজার মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে তুলতে অসম সরকার ও ‘অসম স্টেট ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি’ দিন রাত এক করে কাজ করে চলেছে (Assam Floods)।

Assam Floods: জেলাভিত্তিক ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ

অসম সরকারের দেওয়া রিপোর্ট অনুয়ায়ী,অসমের ৭টি জেলা এখনও বন্যা কবলিত।

শিবসাগর: বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা শিবসাগর। এখানে প্রায় ৫৫,২০০ জন ক্ষতিগ্রস্ত।

চরাইদেও: এরপরে রয়েছে চরাইদেও। এখানে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৪,০৫০ জন।

যোরহাট: এই জেলায় প্রায় ২০,২০৯ জন মানুষ বন্যা কবলিত।

গোলাঘাট: গোলাঘাটে প্রায় ১০,২০১ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।

ধেমাজি: ধেমাজিতে প্রায় ৮,৩৩৩ জন মানুষ বন্যাকবলিত।

দুর্গত মানুষদের জন্য অসম সরকার ৫৫টি ত্রাণ শিবির ও ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালাচ্ছে, যেখানে ১১,০৬৬ জনেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলি পরিদর্শন করেছেন। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন (Assam Floods)।

ভারী বৃষ্টির সতর্কতা মৌসম ভবনের

অসমের বেশিরভাগ প্লাবিত এলাকা থেকে জল ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে, তবুও মৌসম ভবন নতুন আবহাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে অসমের প্রতিবেশী রাজ্য অরুণাচল প্রদেশ ও মেঘালয়ে বজ্রপাতসহ অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে মৌসম ভবন। এর ফলে এই দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী অসমের কয়েকটি জেলায় ফের বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড়, পশ্চিম জয়ন্তিয়া পাহাড় ও পূর্ব জয়ন্তিয়া পাহাড় এবং অরুণাচল প্রদেশের পাপুম পারে, কুরুং কুমে, পূর্ব কামেং, পূর্ব সিয়াং, লোহিত ও চাংলাং জেলার অধিকাংশ এলাকায় বজ্রপাত ও অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now