দীর্ঘ ১৫ বছরের শাহসক ঘাসফুল শিবিরকে পরাজিত করে এবার বাংলার মসনদে গেরুয়া শিবির (BJP Swearing)। কিন্তু কে হচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এখন পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। তবে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই আজ, বুধবার কলকাতায় পা রাখছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য খোদ শাহ-কে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকছেন ওডিশাহর মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি।
নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার আগে এক সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন? জবাবে তিনি বলেছিলেন, আমি জনগণকে আশ্বস্ত করতে চাই, পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী এমন কেউ হবেন, যিনি বাংলায় জন্মেছেন, বাংলায় শিক্ষিত এবং বাংলা ভাষায় সাবলীল।
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নন্দীগ্রামের পাশাহপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র শুভেন্দুকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সবুজ সংকেত দিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
শুভেন্দু বাদেও মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় আরও কিছু নাম উঠে আসছে। আরএসএসের (RSS) পক্ষ থেকে রাসবিহারী জয়ী স্বপন দাশগুপ্তর নাম সুপারিশ করা হতে পারে বলে খবর। এছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্যের মতো নেতারা। তবে শেষ পর্যন্ত শাহ কাকে বেছে নেন, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।
তৃণমূলের ‘বাঙালি বিরোধী’ তকমা মুছতে বিজেপি এক বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। ৯ মে, শনিবার। পঁচিশে বৈশাখ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর পুণ্য লগ্নে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিতে চলেছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নবান্ন থেকে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, ৯ মে সকাল ১০টায় ব্রিগেডের বিশাহল চত্বরে এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে।









