তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলাল বিজেপি (West Bengal Election Result 2026)। নদিয়ার শান্তিপুর বিধানসভার বেলঘড়িয়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের ঘটনা। যতক্ষণ না পর্যন্ত সরকার গঠন হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত পঞ্চায়েতে লাগানো থাকবে তালা। পঞ্চায়েতের ভেতর রয়েছে একাধিক প্রয়োজনীয় নথিপত্র, সেই নথিপত্র লোপাট যাতে না করতে পারে তার জন্য এই পদক্ষেপ বলে দাবি বিজেপির।
উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর সরকার গঠন করছে বিজেপি। এবার তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হলো শান্তিপুর বিধানসভার বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বিজেপির দাবি, এই পঞ্চায়েতে ১৭টি মেম্বার, যার মধ্যে সাতজন বিজেপি সদস্য রয়েছেন। রয়েছে অন্যান্য ১০। কিন্তু বিজেপি সদস্য থাকা সত্ত্বেও এই পঞ্চায়েতে তাদের কোনও কাজ করতে দেওয়া হয় না। মানুষের রায়ে পরিবর্তন হয়েছে এই রাজ্যে। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং সঠিক উপায়ে পঞ্চায়েত পরিচালন করার জন্যই অনির্দিষ্টকালের জন্য এই পঞ্চায়েতে তালা মেরে দেওয়া হয়, যাতে করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরিয়ে ফেলতে না পারে তৃণমূলের সদস্যরা।
অন্যদিকে উত্তর ২৪ পরগগনার হিঙ্গলগঞ্জেও একই ছবি। হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার বিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে তালা দিল বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভায় জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। মঙ্গলবার বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা বিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তালা মেরে বিজেপির পতাকা ও ব্যানার লাগিয়ে দিয়ে যায়।
বিজেপির অভিযোগ, গত পঞ্চায়েত ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী তাদের ভোট করতে দেয়নি। তৃণমূল গায়ের জোরে বুথ দখল করে ভোটে জিতে পঞ্চায়েতের দখল নিয়েছিল। এবং পরবর্তীতে এই পঞ্চায়েতে অনেক দুর্নীতি চলেছে। তাই এই পঞ্চায়েতে তালা মেরে তারা দখল করল।
বিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মানস দাস বলেন, “মানুষ রায় দিয়েছে তাই বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি জিতেছে । কিন্তু সেই কারণে ওরা যেভাবে অত্যাচার শুরু করেছে সেটা মানুষ মেনে নেবে না। পঞ্চায়েতে তালা মেরেছে, আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হবে প্রশাসন যা ব্যবস্থা করার করবে। মানুষের রায় ক্ষমতায় এসে এইভাবে অত্যাচার করা ঠিক না”।
অন্যদিকে মারধর করা হয়, মোহনবাগান ক্লাবের হকি সচিব শ্যামল মিত্রকে। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। তিনি হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর। অভিযোগ, মন্ত্রী অরূপ রায়ের ছত্রছায়ায় হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব পদে বসেছেন শ্যামল। তাই নিয়েও হাওড়া জেলা ক্রীড়া মহলে একটা অংশে ক্ষোভ ছিল। এবারের CAB নির্বাচনের AGM-এ হাওড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন শ্যামল। অভিযোগ, ফল প্রকাশের পর BJP কর্মীরাই নাকি শ্যামলকে মারধর করেছে।










