হাতিদের অবাধ চলাচলের জন্য ঝাড়গ্রামের গুপ্তমনি এলাকার হাতিদের আন্ডারপাস তৈরি হচ্ছিল । হাতি করিডরের (Bridge Collapse) ওপর দিয়ে তৈরি হচ্ছিল সেতু।
বুধবার ভোররাতে সেই সেতুর একাংশ ভেঙে পড়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেতুর একটি বড় অংশ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। আর এতে নির্মাণের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
হাতি-মানুষ সংঘাত কমাতে ঝাড়গ্রামের গুপ্তমণি এলাকায় সেতুটি তৈরি হচ্ছিলো। মূলত সেতুর নিচ দিয়ে হাতির দল পারাপার করতে পারবে এবং উপর দিয়ে নির্বিঘ্নে চলাচল করে যানবাহন।
জানা গিয়েছে, বন দফতরের সুপারিশের ভিত্তিতে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এই প্রকল্প হাতে নেয়। প্রায় ৫০ কোটির বেশি ব্যয়ে নির্মীয়মাণ এই ইকো প্যাসেজটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১০০ মিটার এবং উচ্চতা প্রায় ৭ মিটার। ২০২৫ সাল থেকে শুরু হওয়া কাজটি দেড় বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ করার কথা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সড়ককে উঁচু করে তার নীচ দিয়ে হাতিদের চলাচলের জন্য একটি প্রশস্ত করিডোর তৈরি করা হচ্ছিল।
দু্র্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণে(Bridge Collapse) গাফিলতির অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের তদারকি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন ছিল। যদিও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের একাংশের দাবি, হাতির চলাচলের ফলেও ক্ষতি হয়ে থাকতে পারে। যদিও সাম্প্রতিক কয়েকদিন ওই রুটে হাতির উপস্থিতির কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছন তৃণমূলের নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার এবং অব্যবস্থাপনার কারণেই এই ধস। প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। তাঁর দাবি, কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে, যার ফলেই এই ধসের ঘটনা ঘটেছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই পৌঁছয় এনএইচএআই (NHAI) আধিকারিকরা। কী কারণে সেতুর অংশ হঠাৎ ভেঙে পড়ল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।








