কেন তিনি রাজ্যপালের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন, তা ধোঁয়াশায় রেখেছিলেন। অবশেষে নিজেই মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের সদ্য প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose Resignation)।
পদত্যাগের পিছনে অন্য কোনও বিশেষ প্রস্তাব বা কারণ নেই বলে জানিয়েছেন বোস। তিনি কেরলে চলে গিয়েছেন। সেখানে ‘বিকাশ ভারত’-এর কাজ করবেন। লোকভবন থেকে সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডলে এমনটাই পোস্ট করেছেন তিনি। ওই পোস্ট অনুযায়ী বোস লিখেছেন, “বাংলায় আমার অধ্যায় শেষের পথে। এই রাজ্যের মানুষের কাছ থেকে অনেক ভালোবাসা এবং সম্মান পেয়েছি। তার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। কিন্তু এবার ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করতে কেরলে যাচ্ছি। আমার নিজের রাজ্য প্রিয় কেরলের উন্নতির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। জাতীয় নেতৃত্বের দেখানো পথেই নিজের রাজ্যের মানুষের উন্নয়নে কাজ করব।”
My innings in West Bengal is coming to a close. I am deeply indebted to the great people of Bengal for the affection and regards lavished on me. I am shifting to Kerala to work towards Viksit Bharat. I will work under the guidance of the national leadership for achieving the… pic.twitter.com/UplsthpGMi
— Lok Bhavan, Kolkata, Social Media (@BengalGovernor) March 6, 2026
ওই পোস্টে বোস আরও লেখেন, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মু জি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী জি এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী অমিত শাহ জি-র, সদয়তা ও দিকনির্দেশনার জন্য আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আমি এই নতুন দায়িত্বকে আমার কর্তব্য হিসেবে গ্রহণ করছি এবং কেরলের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতার নিদর্শন হিসেবে দেখছি—যে কেরল আমাকে বড় করে তুলেছে। আমি মানুষের জন্য, মানুষের সঙ্গে এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করব। আমি আমার অত্যন্ত প্রিয় বন্ধু ও বিশিষ্ট প্রশাসক আর. এন. রবি-কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই, আমার গৌরবময় উত্তরসূরি হবেন। আগামীদিনে নতুন পথ ও নতুন সম্ভাবনার দিকে যাত্রা।”
আচমকাই পদত্যাগ সিভি আনন্দ বোসের, নতুন রাজ্যপাল তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল আরএন রবি
সিভি আনন্দ বোসের হঠাৎ-ই ইস্তফার পিছনে নানা জল্পনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। পদত্যাগের পরেই নিজের এক্স হ্যান্ডলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের হঠাৎ পদত্যাগের খবর আমাকে অত্যন্ত বিস্মিত করেছে। আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তাঁর পদত্যাগের প্রকৃত কারণ জানা নেই।” সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজনৈতিক স্বার্থে সিভি আনন্দ বোসকে কোনও চাপ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করেছিল রাজনৈতিক মহলের একাংশ।












