শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় বেআইনি কল সেন্টারের হদিস। কল সেন্টারের আড়ালে চলত আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতারণা চক্র। এই প্রতারণা চক্রের মূল হোতাকে গ্রেফতার করল মাটিগাড়া থানার পুলিশ। ধৃতের নাম সৈকত সিনহা রায়। কলকাতার সোদপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে মাটিগাড়া থানার একটি বিশেষ টিম তাঁকে গ্রেফতার করে শিলিগুড়িতে নিয়ে যায়। সোমবার সকালে তাঁকে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয় (fake call centre)।
fake call centre: কীভাবে জালিয়াতি করতেন সৈকত?
তদন্তকারীদের দাবি, সৈকতই এই বিশাল প্রতারণা চক্রের মূল মাথা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশ ওয়েবেল আইটি পার্কের ফেজ-১, ফেজ-২ এবং লিচুবাগানের ফেজ-৩-এ অভিযান চালিয়ে একটি ভুয়ো কল সেন্টারের হদিস পায়। সেখান থেকে দুই দফায় মোট ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং দুটি অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন লিচুবাগান আইটি পার্কের ওই কল সেন্টারেই কাজ করতেন। তাঁরা জানান, নিজেকে ডিরেক্টর পরিচয় দেওয়া সৈকত সিনহা রায়ই কলকাতার বসে পুরো চক্রটি নিয়ন্ত্রণ করতেন (fake call centre)।
কল সেন্টারের আড়ালে মূলত বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করা হতো। সৈকত সোদপুরে বসে জালিয়াতির যাবতীয় রসদ জোগাতেন। মাঝে মাঝে শিলিগুড়ি এসে লিচুবাগানের আইটি পার্কের ‘জি-১৪’ নম্বর ঘরে কর্মীদের ‘স্পিচ’ বা বিশেষ নির্দেশ দিতেন। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে সৈকত নির্দিষ্ট সময়ে কল সেন্টারের অফিস এবং নিজের থাকার জন্য ভাড়া বাড়ি পরিবর্তন করতেন।
প্রাথমিকভাবে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনের মধ্যে ৭ জন জামিন পেলেও, পুলিশ দু’জনকে পাঁচ দিনের হেপাজতে নিয়ে জেরা চালিয়েছিল। তাঁদের থেকেই সৈকতের কথা জানতে পারেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা। অফিস গুটিয়ে দিলেও মূল ডিরেক্টর ধরা না পড়ায় মেট্রোপলিটন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। তবে সোদপুর থেকে সৈকতকে পাকড়াও করায় তদন্তে বড় সাফল্য এলো বলে মনে করা হচ্ছে। প্রতারণার জাল কতদূর বিস্তৃত এবং এই চক্রে আরও কারা জড়িত, তা জানতে আদালতে ধৃত সৈকতকে ১০ দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।











Quick deposits and even quicker withdrawals. That is all I really care about and they nail it. I am sticking with jilicashslotlogin from now on.