জঙ্গি সন্দেহে কলকাতা থেকে গ্রেফতার মালদহের মানিকচকের এক যুবক। ধৃত যুবক উমর ফারুক গোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আশিনটোলার বাসিন্দা। উমর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে কলকাতায় শ্রমিকের কাজ করতেন বলে দাবি পরিবারের। উমরের পরিবার সূত্রে খবর, সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছে সে। বাবা আক্তার হোসেন একসময় ভিন রাজ্যে কাজ করতেন। বাড়ির বড় ছেলে উমর। ছোট ভাই হাসান আলি টোটো চালক। মাস দুই আগেই মালদহের বাড়ি এসেছিল উমর। ইদে বাড়ি ফেরার কথা ছিল তার। বাড়ির বড় ছেলে হওয়ায় সংসারের প্রতি বড় দায়িত্ব ছিল উমরের কাঁধে। মাসে নিয়মিত ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা বাড়িতে পাঠাতেন তিনি। (Malda)
সোমবার সকালে ফোনে গ্রেফতারের খবর জানতে পেরেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তবে পরিবারের একাধিক সদস্যের বক্তব্য ঘিরে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। উমরের মা-য়ের দাবি, অশিক্ষিত ছেলে বুঝতে না পেরে টাকার বিনিময়ে পোস্টার লাগিয়েছে। যদিও সে কথা মানতে নারাজ তার স্ত্রী। উমরের স্ত্রীর দাবি, স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। স্বামী বরাবরই বাইরে কাজ করেন। কোনওদিনই তিনি সন্দেহজনক কিছু দেখেননি। গত রবিবারও স্বামীর সঙ্গে কথা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার স্বামী উগ্রপন্থী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত নন। উমরের ভাই হাসান আলির দাবি, তাঁর ভাইয়ের আচরণ অত্যন্ত ভদ্র ছিল। ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। (Malda)
গ্রামের যুবকের জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা অশিন টোলা গ্রাম জুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। উমরের গ্রেফতারি নিয়ে ধন্দে গ্রামের বাসিন্দারা। তাদের বক্তব্য, এমনিতে তারা উমরকে ভালো ছেলেই বলেই জানতেন। তবে বাইরে কী করত সেই সম্পর্কে তারা কিছু জানেন না। তবে কোন জঙ্গির সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে উমর, নাকি সত্যিই তিনি কাজের জন্য কলকাতায় আসেন, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। (Malda)










1 thought on “Malda: জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার মালদহের যুবক, ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে, দাবি পরিবারের”