---Advertisement---
lifezone nursing home

বিধায়কের আশ্বাসই সার, হরিপালে চলল বুলডোজার, অথৈ জলে ২৫০ পরিবার

June 4, 2026 8:00 PM
---Advertisement---

বিভিন্ন জায়গা থেকে রেলের দখলদার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত। দমদম,যাদবপুরের পর এবার হুগলির হরিপাল। স্টেশন লাগোয়া প্রায় আড়াইশো দোকান। বুধবার রাতের অন্ধকারে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো (Station Hawker)।

আগেই রেল নোটিশ দিয়েছিল, ২ তারিখের মধ্যে দোকান ছেড়ে দিতে হবে। যারা রেলের জায়গায় ব্যবসা করছেন তাদের উঠে যেতে হবে। নোটিশ হাতে পাওয়ার পরই আকাশ ভেঙে পড়েছিল ব্যবসায়ীদের মাথায়। এখন কী করবেন ভেবেই উঠতে পারছিলেন না। দোকান ঘর থেকে জিনিস সরিয়ে নিতে শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ীরা।

নিজেদের পেটের তাগিদে বিধায়কের দরজায় কড়া নাড়েন ব্যবসায়ীরা। পুনর্বাসনের আবেদন নিয়ে তাঁর কাছে যান। তবে তখন হরিপাল বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক মধুমিতা ঘোষ তাঁদের ফেরাননি। তাঁদের আশ্বাস দেন একমাস তাঁদের সময় দেওয়া হবে। কিন্তু কোথায়? সেই তো রাতের অন্ধকারে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল স্টেশন সংলগ্ন প্রায় আড়াইশোটি দোকান। এমনটাই দাবি, সেখানকার এক ব্যবসায়ীর (Station Hawker)।

অন্যদিকে প্রায় ২৯ বছর ধরে স্টেশন চত্বরে ব্যবসা করছেন ব্যবসায়ী প্রভাস দাস। এমনটা যে কোনও দিনও হবে ভাবতে পারেননি তিনি। বলেন, “আমরা সময় চেয়েছিলাম। কিছুদিনের মধ্যে অন্য জায়গায় সরে যাব। তা সত্ত্বেও আমাদের কথা শুনলো না রেল। আমাদের জোর করে এখান থেকে উচ্ছেদ করে দিল। বিধায়কের আশ্বাসের পরেও রেলের তরফে বুলডোজার চালানো হলো”।

যদিও হরিপালের বিজেপি বিধায়ক মধুমিতা ঘোষ বলেন, “খারাপ লাগছে এতজন হকার ভাইয়ের জীবিকা চলত। তবে রেল তো তার জমি নেবেই। আগামী দিনে হরিপালে রেলের বড় প্রকল্প হবে। তখন হকাররা ব্যবসা করতে পারবেন”।

বুধবার রাতে বুলডোজার চালানো হয় হরিপাল রেল স্টেশনের উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দখলকারী নির্মাণের উপর। কলেজের সামনে থাকা তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ছিল রেলের জমিতে। সেই অফিস ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

সূত্রের খবর, শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশন চত্বর মিলিয়ে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী ঝুপড়ি এবং ছোট ছোট দোকান সম্পূর্ণ উচ্ছেদ করা হয়েছে। শুধু স্টেশন চত্বরেই রেলের এই হানা সীমাবদ্ধ থাকেনি, হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বহুতলের বেআইনি নির্মাণ ভাঙতেও সজোরে চালানো হয়েছে বুলডোজার।


Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp

Join Now

Subscribe on Youtube

Join Now

Leave a Comment