ফের বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে প্রেসিডেন্সি জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তল্লাশি চালিয়ে ২০০২ সালের আমেরিকান সেন্টার হামলার মূল চক্রান্তকারী আফতাব আনসারির সেল থেকে উদ্ধার ৩ টি মোবাইল ফোন,একটি আইফোন, ওয়াইফাই রাউটার, পেনড্রাইভ এবং নগদ ৩১ হাজার টাকা। উদ্ধারের পরই এইগুলিকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এখন প্রশ্ন জেলে বসে কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন আফতাব? কীভাবেই বা জেলের ভিতরে পৌঁছলো ইলেকট্রনিক এই ডিভাইস গুলি? এই চক্র কতদূর বিস্তৃত? সবটাই ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের (Aftab Ansarirs)।
সূত্রের খবর, অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে গত ২৩ অগস্ট প্রেসিডেন্সি জেলের হাই-সিকিউরিটি জোনে একটি গোপন ও বিশেষ তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সন্ধে ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত প্রেসিডেন্সি জেলের ভিতর এই তল্লাশি অভিযান চলে। সেই সময় আফতাবের সেল ঘুরে দেখতেই চোখ কপালে ওঠে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের। কী নেই সেই সেলে। আফতাব আনসারির বিছানাপত্র ও জামাকাপড় ঘেঁটে তিনটি স্মার্টফোন, একটি আইফোন, দুটি জিও রাউটার, ওয়াইফাই হটস্পট, পেনড্রাইভ এবং কার্ড রিডার উদ্ধার করা হয়। পাওয়া গিয়েছে নগদ ৩১ হাজার টাকাও (Aftab Ansarirs)।
Aftab Ansarirs: কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন আফতাব?
২০০২ সালে কলকাতার আমেরিকান সেন্টারে প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলা হয়। এই হামলায় নাম জড়ায় কুখ্যাত জঙ্গি আফতাব আনসারির। তাকে দুবাই থেকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও কলকাতায় খাদিমকর্তা অপহরণকাণ্ডের পেছনেও তার হাত ছিল বলে জানা যায়। এই মামলায় আনসারিকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল নিম্ন আদালত। পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্ট তার সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
কড়া নিরাপত্তা সত্বেও জেলের ভিতরে সেলে আইফোন বা ওয়াইফাই রাউটারের মতো সরঞ্জাম পৌঁছাল কীভাবে? এইগুলির মাধ্যমে কাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন আনসারি? ইলেকট্রনিক গ্যাজেট পৌঁছনোর জন্য এই ঘটনায় জেলের ভিতরের কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী দলের আধিকারিকেরা। গতকাল রাতে হেস্টিংস থানায় আফতাব আনসারির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে।












