টাকি পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্রের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল। অভিযোগকারিণী টাকি পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তাঁর স্বামী প্রাক্তন বিএসএফ কর্মী। ঘটনার পর হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। (Taki)
অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যার পরে তিনি হাটে যাওয়ার পথে বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে ফাঁকা রাস্তায় কয়েকজন বাইকে করে এসে তাঁকে ঘিরে ধরে। অভিযোগ, সেই দলে ছিলেন কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র। এরপর তাঁকে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। (Taki)
অভিযোগকারীনি বক্তব্য, “১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর আমার স্বামীকে বাড়িতে এসে মারধর করেন। আমি হাসনাবাদ থানায় অভিযোগ করলেও তখন নেওয়া হয়নি। পরে কোর্টেও যাই, কিন্তু বিচার পাইনি। এরপর ২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি হাটে যাওয়ার পথে মনোরঞ্জন পাত্র ও আরও কয়েকজন বাইকে এসে আমার মুখ চেপে ধরে চাদর দিয়ে জড়িয়ে আমাকে হেনস্তা করেন। পরে স্বামীর সঙ্গে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করি, বর্তমান আইসি অভিযোগ নিয়েছেন। আমি বুদ্ধদেব দাস ও রাজীব চক্রবর্তীর গলার আওয়াজ চিনতে পেরেছি। আমি চাই ওদের কঠিনতম শাস্তি হোক।” (Taki)
অভিযোগকারিণীর দাবি, ঘটনার সময় তিনি আরও কয়েকজনের উপস্থিতি টের পেয়েছিলেন এবং তাদের মধ্যে দু’-তিন জনের কণ্ঠস্বর চিনতে পেরেছেন। (Taki)
তাঁর স্বামী প্রাক্তন বিএসএফ কর্মী বলেন “এই ঘটনা সত্যি। প্রায় শতাধিক লোক নিয়ে ২০২৪ সালে আমার ঘরে চড়াও হয় মনোরঞ্জন পাত্র, উনি সমাজসেবকের নামে একজন ক্রিমিনাল, সমাজবিরোধী, অবৈধ কাজে যুক্ত। বহুবার সতর্ক করা হয়েছে এখানে নোংরা কাজে যুক্ত না থাকতে, সংযত হতে। এলাকায় তাঁর দলের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে, অসহায় দরিদ্র মানুষদের হেনস্থা করার অভিযোগ রয়েছে। এসব নিয়ে আমি সতর্ক করেছিলাম আমার কথা পছন্দ না হওয়ায় এটা করেছে। ফলে আমি চাইছি যে ঘৃণ্য অপরাধগুলো যারা করছে এবং যারা তাদের মদত দিচ্ছে সকলেরই কঠিনতম শাস্তি হোক।” (Taki)
যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র। তাঁর দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। (Taki)









