শিলিগুড়ির রেল ইয়ার্ডে চোখে পড়ল অন্য ছবি। সাজানো হয়েছে টয় ট্রেনের ইঞ্জিন। চারপাশে রেলকর্মীদের ব্যস্ততা। বিশ্বকর্মা পুজো ঘিরে উৎসবের আমেজ ঐতিহ্যবাহী দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়েতে। সকালেই নিয়ম মেনে পুজো হয় ইঞ্জিন, রেলের যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য সরঞ্জামের। (Darjeeling Toy Train)
ইঞ্জিনেই পুজো-অর্চনা
শিলিগুড়ির সঙ্গে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের সম্পর্ক বহু পুরনো। ইউনেস্কোর থেকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের স্বীকৃতি পাওয়া এই রেলপথ উত্তরবঙ্গের অন্যতম গর্ব। সেই ঐতিহ্যেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ টয় ট্রেন। বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে রেলের যন্ত্রপাতির পাশাপাশি স্টিম ইঞ্জিনেও পুজো করা হয়। (Darjeeling Toy Train)
পুজো কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি উমেশ যাদব জানান, সকালে ইঞ্জিনে পুজো-অর্চনা সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর কথায়, স্টিম ইঞ্জিনটি ঐতিহ্যের অংশ। তাই সেটি ভালোভাবে চলা রেলকর্মীদের কাছে গর্বের বিষয়। ইঞ্জিন সচল থাকলে পর্যটকদের আকর্ষণও বাড়বে।
বিকেলে শিশুদের অনুষ্ঠান
শুধু পুজো নয়। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে বিকেলে রয়েছে শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাচ-গানের পাশাপাশি নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনের আয়োজন করা হয়েছে। রয়েছে খিচুড়ি খাওয়ার ব্যবস্থাও। উমেশ যাদব বলেন, পুজোর আয়োজন কিছুটা আলাদা জায়গায় হওয়ায় সকাল থেকে দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক কম। তবে বিকেলের অনুষ্ঠানে মানুষের উপস্থিতি বাড়বে বলে আশা করছেন তাঁরা। (Darjeeling Toy Train)
পর্যটকদের আকর্ষণ টয় ট্রেন
দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের টয় ট্রেন দেখতে প্রতি বছরই বহু পর্যটক উত্তরবঙ্গে আসেন। পুজোর মরশুমেও পর্যটকদের আকর্ষণ ধরে রাখতে বিশেষ টয় ট্রেন পরিষেবার উদ্যোগ নিয়েছে ডিএইচআর।
বিশ্বকর্মার কাছে রেলকর্মীদের প্রার্থনা একটাই—সকলের ভালো থাকা, সুস্থ থাকা এবং দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের আরও উন্নতি। পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী স্টিম ইঞ্জিন যেন ভালোভাবে চলতে থাকে, সেই কামনাও করেছেন তাঁরা।(Darjeeling Toy Train)
আরও পড়ুন :- আশ্বিনের শুরুতে বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া, সতর্কতা রাজ্যে









