দক্ষিণ ২৪ পরগনার একাধিক বুথে পুনর্নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পরিস্থিতি। শনিবার সকাল থেকেই ১৫টি বুথে রিপোলিং চলাকালীন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের অভিযোগ সামনে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকা জুড়ে, যা সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। (TMC VS BJP)
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগের দফার ভোটে হিংসা, ভোটারদের বাধা দেওয়া এবং অনিয়মের একাধিক অভিযোগ জমা পড়ায় এই ১৫টি বুথে পুনরায় ভোটগ্রহণের নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন। সেই মতো কড়া নিরাপত্তার বলয়ে সকাল থেকেই ভোট শুরু হয়। কিন্তু বেলা বাড়তেই কয়েকটি বুথের বাইরে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয় এবং তা দ্রুত হাতাহাতি ও ইটবৃষ্টিতে গড়ায়। (TMC VS BJP)
স্থানীয় সূত্রে দাবি, ভোটারদের লাইনে দাঁড়ানো নিয়েই প্রথমে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, কিছু বহিরাগত এলাকায় ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিল। সেই নিয়েই সংঘর্ষের সূত্রপাত। কয়েকটি জায়গায় ব্যালট ইউনিট ভাঙচুরের চেষ্টার কথাও সামনে এসেছে, প্রশাসন তা খতিয়ে দেখছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জ করতে হয়। অন্তত কয়েকজন আহত হয়েছেন, তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে গুরুতর আঘাতের খবর নেই। (TMC VS BJP)
এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, “আমরা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছি। যেখানে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, সেখানে সঙ্গে সঙ্গে বাহিনী পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক তরজা তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়াতে চাইছে যাতে ভোট প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। অন্যদিকে বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূল কর্মীরাই বুথ দখল ও ভোট লুটের চেষ্টা করছিল, তার প্রতিবাদ করতেই সংঘর্ষ বাধে। (TMC VS BJP)
নির্বাচন কমিশন গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে এবং শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট শেষ করার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে। পুনর্নির্বাচন ঘিরে এই অশান্তির ঘটনায় ফের একবার রাজ্যের ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।










2 thoughts on “TMC VS BJP: বহিরাগতদের প্রভাব খাটানোর অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনেও সংঘর্ষ দক্ষিণ ২৪ পরগনায়”