ই-পেপার রাজ্য খেলার দুনিয়া দেশ অজানা তথ্য মুশকিল আসান বিদেশ বিনোদন ব্যবসা ও বাণিজ্য লাইফস্টাইল ও স্বাস্থ্য টেক

---Advertisement---

বিধায়কের সামনেই আদি বনাম নব্য BJP! ধস্তাধস্তিতে উত্তেজনা যোগ মঞ্চে, উড়ল চেয়ার-টেবিল

World Yoga Day
---Advertisement---

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের (World Yoga Day) মঞ্চে BJP-র আদি-নব্য দ্বন্দ্ব। বিধায়কের সামনেই আদি বনাম নব্য BJP-র ধস্তাধস্তিতে উত্তেজনা ছড়াল। ভাঙচুর করা হয় চেয়ার-টেবিল। এই বিশৃঙ্খলার মাঝেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত টালিগঞ্জের বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

সূত্রের খবর, ২১ জুন বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষ্যে গড়িয়ার মৈত্রী সংঘের খেলার মাঠে আয়োজিত হয় এক অনুষ্ঠান। বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা BJP-র কর্মী অঞ্জন দে-র উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক মহিলা ও পুরুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন টালিগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীও। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, রামকৃষ্ণ মিশনের এক মহারাজও। শান্তিপূর্ণভাবে সব মিটলেও অনুষ্ঠান শেষ হতেই দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়। যা পরে রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। স্থানীয় বিধায়কের উপস্থিতিতে মঞ্চে আদি ও নব্য BJP-র কর্মীদের মধ্যে তুমুল ধস্তাধস্তি ও হাতাহাতি শুরু হয়। বচসা চলাকালীন মঞ্চে চেয়ার ও টেবিল ছুড়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে (World Yoga Day)।

BJP-র কর্মী অঞ্জন দে-র অভিযোগ, “২০২১ সাল থেকে আমি BJP-র সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলাম। ভোটের কাউন্টিং-এও আমি ছিলাম। ওখান থেকে আমার ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বার করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় বাবুল সুপ্রিয় ছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন তুমি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাও। অসুস্থ মা ও দাদা, আমার স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাই। ওইদিন রাতে আমার বাড়ি ভাঙচুর হয়। আমি দেড় বছর বাড়ির বাইরে ছিলাম। তারপর এখানে আসি। দলের হয়ে নানা কাজকর্ম করি।”

এই ঘটনা নতুন নয়, দিন কয়েক আগেই উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত জেলা BJP-র অন্দরে আদি বনাম নব্য শিবিরের দীর্ঘদিনের চাপা ক্ষোভ প্রকাশ্য আসতেই রক্তাক্ত সংঘর্ষের রূপ নেয়। হৃদয়পুর স্টেশন সংলগ্ন একটি ক্লাব ঘরের দখলকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের লড়াইয়ে চলে ধারালো অস্ত্রের কোপ। পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখমও হন।


Follow Hindustan News Point Channel on WhatsApp

Rima Dutta Ghosh

প্রায় ৮ বছর ধরে সাংবাদিকতার জগতে। শুরুটা মোটেও মসৃণ ছিল না। যাদবপুর ইউনির্ভারসিটি থেকে মাস কম-এ পড়াশোনা করতে করতেই জেলা সাংবাদিকতায় ঢোকা। তারপর থেকেই শুরু চড়াই-উতরাই। সেখান থেকে এবটি ওয়েট পোর্টালে কপি রাইটার হিসাবে কাজ শুরু। তারপর টেলিভিশন জগতে। সেখানে প্রায় ৪ বছর কাজ করা। কপি রাইটার থেকে বুলেটিন প্রডিউসার। কথাটা সহজ হলেও পথ চলাটা ছিল কঠিন।

Join WhatsApp Channel

Join Now

Subscribe on Youtube

Subscribe Now